বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের সময় আজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা বৃদ্ধি করা হয়েছে ৪৫০ দিনের জন্য। বিটিআরসি সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। (প্রিয় টেক) বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের সময় আজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা বৃদ্ধি করা হয়েছে ৪৫০ দিনের জন্য। প্রথম দফায় সময় বৃদ্ধি করার সময় বলা হয়েছিল ৩১ মের মধ্যে সিম নিবন্ধন না করা হলে প্রথম দুই মাস সিম তোলা বা নিবন্ধন করা যাবে না। তবে নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী কোন শর্ত ছাড়া ৪৫০ দিনের মধ্যে যেকোন সময় সিম নিবন্ধন করলেই তা সচল হয়ে যাবে। সোমবার রাতে বিটিআরসি সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক জুন শূন্য ঘণ্টা থেকে অনিবন্ধিত সব সিম বন্ধ হয়ে যাবে। তবে ৩১ মে’র পর অনিবন্ধিত সিম নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ৪৫০ দিনের মধ্যে বায়োমেট্রিক নিবন্ধন করে সংযোগ পুনরায় চালু করতে পারবেন গ্রাহকরা। বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ভেরিফিকেশন না হওয়ায় নিষ্ক্রিয় সংযোগ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের পরিবর্তে অনুমোদিত অন্যান্য পরিচয়পত্র (পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স/জন্ম নিবন্ধন সনদ) ব্যবহার করে ছয় মাসের জন্য নিবন্ধিত সংযোগের মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে নিষ্ক্রিয় সংযোগ- উভয় ক্ষেত্রেই পুনরায় চালুর জন্য চারটি পদ্ধতি অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। অপারেটরদের দেওয়া ওই নির্দেশনায় বলা হয়, বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন সম্পন্ন না হওয়ার কারণে নিষ্ক্রিয় করার দিন থেকে পরবর্তী ৪৫০ দিনের জন্য ওই গ্রাহক নিষ্ক্রিয় সংযোগটি বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন সঠিকভাবে সম্পন্ন করা সাপেক্ষে পুনরায় চালু করতে পারবেন। ৪৫০ দিন পার হওয়ার পর অপারেটর একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংযোগটি পুনরায় বিক্রি করার ঘোষণা দেবে। ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে সংযোগটি বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন সঠিকভাবে সম্পন্ন করা সাপেক্ষে পুনরায় চালু করতে পারবেন গ্রাহক। উল্লেখিত ৫৪০ দিনের মধ্যে সংযোগটি পুনরায় চালু করতে হলে নতুন সিম বা রিম ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কর-চার্জ ইত্যাদির ন্যায় কর-চার্জ ইত্যাদি প্রযোজ্য হবে। ৫৪০ দিন পার হওয়ার পর বিদ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী অপারেটর যে কোনো গ্রাহকের কাছে তা পুনরায় নতুন করে সংযোগ হিসেবে বিক্রি করতে পারবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়। এ ব্যাপারে বিবিসির কাছে এক সাক্ষাৎকারে বিটিআরসির সিনিয়র সহকারি পরিচালক জাকির হোসাইন খান জানান, ৪৫০ দিন পর অপারেটর একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংযোগটি পুনরায় বিক্রি করার ঘোষণা দেবে। এই ঘোষণার ৩ মাসের মধ্যে গ্রাহক বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন করে সিমটি চালু করে নিতে পারবেন। তবে এ সময় চালু করতে হলে নতুন সিমের মতোই ফি দিতে হবে। তবে ৫৪০দিন বা ১৮ মাস পর অনিবন্ধিত সিমটি নতুন সংযোগ হিসাবে অপারেটর অন্য গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করে দিতে পারবে।
মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০১৬
সিম নিবন্ধনের সময় বাড়ল ৪৫০ দিন
শনিবার, ২৮ মে, ২০১৬
আপনি জানেন টুথপেস্ট টিউবের নিচের রঙিন কি নির্দেশ করে ? জেনে অবাক হব
আপনি জানেন টুথপেস্ট টিউবের নিচের রঙিন কি নির্দেশ করে ? জেনে অবাক হব কি নির্দেশ করে টুথপেস্ট টিউবের নিচের রঙিন কিউবটি? কখনো টুথপেস্ট টিউবের নিচের অংশে কিউব আকৃতির রঙিন ট্যাবের উপস্থিতি টের পেয়েছেন? হয়ত দেখেছেন, কিন্তু পেস্ট ভেদে সবুজ, নীল, লাল, কালো রঙের এই ছোট্ট বাক্সটিকে নিয়ে ভাবেননি। কিন্তু এই রঙগুলোর আছে আলাদা এক অর্থ। পেস্টভেদে থাকা এই রঙগুলো ঐ পেস্টটি কি উপাদান দিয়ে তৈরি তা ইঙ্গিত করে। ##লাল – প্রাকৃতিক + রাসায়নিক উপাদানের সংমিশ্রণ। ##কালো– সম্পূর্ণ রাসায়নিক। ##নীল – প্রাকৃতিক + ভেষজ উপাদানের সংমিশ্রণ। সবুজ– সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক।
এবার নিরাপত্তায় বাংলা অনুবাদক নিয়োগ দিল ফেসবুক
বাংলায় লেখা আপত্তিকর পোস্ট বোঝার জন্য একজন অনুবাদক নিয়োগ দিয়েছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম আজ রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। সাংবাদিকদের তারানা হালিম বলেন, ‘ফেসবুক দুই দিন আগে চিঠি দিয়ে অনুবাদক নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছে। এটি একটি অগ্রগতি, তবে ঢাকায় একটি সম্পূর্ণ অ্যাডমিন প্যানেল স্থাপনের জন ফেসবুককে আমরা অনুরোধ করব যা সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সরকারের জন্য সহায়ক হবে।’ ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করতে আগামী মঙ্গলবার সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তারানা হালিম। সেখানে তিনি ফেসবুকের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ফেসবুকের পাশাপাশি তারানা হালিম গুগল ও মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও সিঙ্গাপুরে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। এর আগে গত ৬ ডিসেম্বর ফেসবুকের দুই প্রতিনিধির সঙ্গে সরকারের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে ফেসবুকের মাধ্যমে সাইবার সহিংসতা প্রতিরোধে বাংলাদেশে যোগাযোগ মাধ্যমটির অ্যাডমিন প্যানেল বসানোর অনুরোধ করা হয়। ওই বৈঠকে ফেসবুক প্রতিনিধিরা জানান, বাংলা ভাষা না জানায় এই ভাষায় দেওয়া স্ট্যাটাসের প্রকৃত অর্থ তাদের পক্ষে বোঝা কঠিন। ভাষা বিষয়ক এই সমস্যার কারণে কোন স্ট্যাটাসটি হয়রানি বা সহিংসতা ছড়ানোর জন্য দেওয়া হয়, সেটিও তাদের পক্ষে ধরা সম্ভব হয় না। জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় গত বছরের ১৮ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফেসবুকসহ বেশ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ ছিল।
বাংলাদেশের নিউজিল্যান্ড সফরের সূচি চূড়ান
আগামী ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ডে যাচ্ছে বাংলাদেশ, সেটা জানা ছিল আগেই। এবার চূড়ান্ত হলো সেই সফরের সূচি। সবকিছু ঠিক থাকলে ২৬ ডিসেম্বর প্রথম ওযানডে দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের নিউজিল্যান্ড অভিযান। এই সফরে তিনটি ওয়ানডে, তিনটি টি-টোয়েন্টি ছাড়াও দুইটি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। ২৪ জানুয়ারি শুরু দ্বিতীয় টেস্ট দিয়ে শেষ হবে মাসব্যাপী এই সফর। পূর্ণাঙ্গ সূচি_____ তারি____, খেলার স্থান ২৬ ডিসেম্বর ১ম ওয়ানডে __ হ্যাগলি ওভাল, ক্রাইস্টচার্চ ২৯ ডিসেম্বর ২য় ওয়ানডে __ স্যাক্সটন ওভাল, নেলসন ৩১ ডিসেম্বর ৩য় ওয়ানডে __ স্যাক্সটন ওভাল, নেলসন ৩ জানুয়ারি ১ম টি-টোয়েন্টি __ ম্যাকলিন পার্ক, নেপিয়ার ৬ জানুয়ারি ২য় টি-টোয়েন্টি __ বে ওভাল, মাউন্ট মনগানুই ৮ জানুয়ারি ৩য় টি-টোয়েন্টি __ বে ওভাল, মাউন্ট মনগানুই ১২-১৬ জানুয়ারি ১ম টেস্ট __ বেসিন রিজার্ভ, ওয়েলিংটন ২০-২৪ জানুয়ারি ২য় টেস্ট __ হ্যাগলি ওভাল, ক্রাইস্টচার্চ
জিপি তে আপনি এর চেয়ে কম টাকায়(1.21 টাকায় 25MB FB and DOWNLOAD 5MB) এত্ত বেশি মেগাবাইট পাবেন না
সালাম নিয়েন ডায়াল 500301# data check 56610#
গ্রামিণফোনে নিয়ে নিন মাত্র 5 টাকায় 1 GB internet
গ্রামিণফোন নিয়ে এসেছে দারুন অফার। মাত্র ৫ টাকায় ১ জিবি ইন্টারনেট। অফারটি শুধুমাত্র তারাই পাবেন যারা গত ৯০ দিন ইন্টারনেট ব্যবহার করেননি। ★অপারটি চালু করতে ডায়াল করুন- 50045# ★অফারটির মেয়াদ ৭ দিন। ★ব্যালেন্স জানতে ডায়াল করুন 56610#
বৃহস্পতিবার, ২৬ মে, ২০১৬
Online অথবা sms এর মাধ্যমে Admission করবেন যে ভাবে বিস্তারিত
বিস্তারীত পড়ুন 300kb এর মতো একটি PDF ফাইল Downlode to click here 332KB.PDF
বুধবার, ২৫ মে, ২০১৬
দেয়াশলাইয়ের কাঠি দিয়ে বানাও রকেট[ভিডিও]
নতুন নতুন . . সকল নতুন টিপস . Image মাটি থেকে যখন রকেট ওড়াল দেয় মহাকাশের উদ্দেশ্যে দেখতে কার না ভালো লাগে। চাইলে তুমিও ওড়াতে পারো এমন রকেট। তবে এই রকেট মহাকাশে না গেলেও তোমার বাসার ছাদে পৌঁছাবে নির্বিঘ্নে। আর বন্ধুরা তো হতবাক হবেই। চলো, তাহলে দেয়াশলাইয়ের কাঠি দিয়ে বানাই রকেট। যা যা লাগবেঃ ১. এক বক্স দেয়াশলাই ২. ফয়েল পেপার (সিগারেটের প্যাকেটের ভেতরে থাকে) ৩. পেপার ক্লিপ যেভাবে বানাবেঃ একটা ফয়েল পেপারকে ২ অর্ধেক করে কাটো। সাধারণত সিগারেটের প্যাকেটে ফয়েল পেপার থাকে। এছাড়াও হার্ডওয়্যারের দোকানেও কিনতে পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ২ সেন্টিমিটার করে ফয়েল পেপারটিকে কাটতে হবে। এবার দেয়াশলাইয়ের একটি কাঠিকে ফয়েল পেপার দিয়ে মুড়িয়ে দাও। শক্তিশালি রকেট বানাতে হলে ৩-৪ টি দেয়াশলাইয়ের শলাকার বারুদের অংশগুলো ফয়েল পেপারের মধ্যে মুড়িয়ে নিতে পারো। শলাকার নিচের দিকে ফয়েল পেপার মোড়ানোর সময় একটু ফাঁকা রাখতে হবে। এতে ধোয়া পেছন দিক দিয়ে বের হয়ে যেতে পারবে। এবার ফয়েল পেপার মোড়ানো দেয়াশলাইয়ের কাঠিটিকে একটি পেপার ক্লিপের উপরে রাখ। তারপর নিচ থেকে একটি দেয়াশলাইয়ের কাঠিতে আগুন ধরিয়ে ফয়েল পেপারে তাপ দাও। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখতে পাবা কাঠিটি সজোড়ে ছুটে গেছে সামনের দিকে। এবার ওড়াও তোমার বিনা খরচে ছুটে বেড়ানো রকেট। সতর্কতাঃ পেপার ক্লিপে যেন কোন প্লাস্টিক না থাকে। তাহলে প্লাস্টিকে আগুন ধরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। আগুনের ব্যাপারে সবসময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
সোমবার, ২৩ মে, ২০১৬
[GP] ৬৪ এমবি ইন্টারনেট মাত্র ৮ টাকায়।
##৮ টাকায় (সম্পূরক শুল্ক+ভ্যাট+সারচার্জ সহ) ৬৪ এমবি ইন্টারনেট ২ দিনের মেয়াদে অ্যাক্টিভেশন কোডঃ ৫০০০২০৫# পরবর্তী নোটিশ না দেয়া পর্যন্ত অফারটি চলবে অফারটি সকল প্রিপেইড ও পোস্টপেইড গ্রাহকদের জন্য প্রযোজ্য এবং ক্যাম্পেইন চলাকালীন ৫ বার পর্যন্ত ক্রয় করা যাবে গ্রাহকের ইন্টারনেট ভলিউম শেষ হয়ে গেলে প্রতি ১০ কিলোবাইটের জন্য ০.০১টাকা করে চার্জ প্রযোজ্য হবে (মেয়াদ থাকা অবস্থায়, ২০০ টাকা পর্যন্ত) অব্যবহৃত ডাটা পরবর্তীতে যোগ হবে না ইন্টারনেট ব্যালেন্স জানতে ডায়াল ১২১১*২# শর্ত প্রযোজ্য
রবিবার, ২২ মে, ২০১৬
System Background Data Disabler v1.0 (Beta.exe
System Background Data Disabler v1.0 (Beta) - কম্পিউটারে অনাখাঙ্খিত ইন্টারনেট খরচ বন্ধ করুন খুব সহজেই, 900 KB সাইজের ছোট্ট একটি অ্যাপ দিয়ে ! কম্পিউটারে যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন, তাদের অনেকে প্রায়ই একটি সমস্যায় পরেন, তা হল অঙ্খাঙ্খিত ইন্টারনেট খরচ ! দেখা যায় যে, ইন্টারনেট কানেকশন অন করা মাত্রই ডাটা খরচ শুরু হয়ে গিয়েছে; যদিও ব্যবহারকারী কোনকিছু ডাউনলোড বা আপলোড করছেন না ! ব্যবহারকারী যদি আনলিমিটেড ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে তাকে অবশ্য এইসব ব্যাপার নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় না । কিন্তু তিনি যদি বাংলাদেশের কোন মোবাইল ফোন কোম্পানির লিমিটেড ইন্টারনেট প্যাকেজ ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে তার মাথা খারাপ হওার উপক্রম হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয় । তাই আপনাদের মাথা যেন খারাপ না হওার উপক্রম হয়, সে জন্য আপনাদের জন্য তৈরি করে ফেললাম দারুণ একটা অ্যাপ, যার নাম System Background Data Disabler. এটি ব্যবহার করে আপনি কম্পিউটারে অনাখাঙ্খিত ইন্টারনেট খরচ বন্ধ করতে পারবেন । * কেন এই অনাখাঙ্খিত ইন্টারনেট ডাটা খরচ হয়? মূলত উইন্ডোজ অটো আপডেট সহ বিভিন্ন জিনিস স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হওয়ার কারণেই মূলত অনাখাঙ্খিত ইন্টারনেট ডাটা খরচ হয় । অনেক সময় দেখা যায় যে, উইন্ডোজ এর অটো আপডেট বন্ধ রাখার পরেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট খরচ হয়েই চলেছে ! এর কারন হল, উইন্ডোজ অটো আপডেট বাদেও আরও আনেক বিষয় রয়েছে, যেগুলো এই অনাখাঙ্খিত ইন্টারনেট ডাটা খরচ এর সাথে সম্পৃক্ত । এ ছাড়াও আপনার ইন্সটল করা বিভিন্ন সফটওয়ারে অটো আপডেট ফিচার চালু থাকার কারণে এই অনাখাঙ্খিত ইন্টারনেট ডাটা খরচ হতে পারে । যেমনঃ এন্টিভাইরাসের আটো আপডেট । তবে আপনি চাইলে খুব সহজেই আপনার ইন্সটল করা সফটওয়্যারগুলোর অটো আপডেট + উইন্ডোজ অটো আপডেট বন্ধ করতে পারবেন, কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমের আরও কিছু সার্ভিস, প্রসেসকে সহজেই ইন্টারনেট ডাটা গ্রহণ থেকে বিরত রাখতে পারবেন না । আর এ জন্যই System Background Data Disabler. * কিভাবে এই অনাখাঙ্খিত ইন্টারনেট ডাটা খরচ বন্ধ করবেন? এ জন্য প্রথমে System Background Data Disabler v1.0 (Beta) রান করুন । এরপরে OK> Yes> OK> Yes বাটন গুলোতে ক্লিক করুন । তাহলে পিসি রিস্টার্ট হবে । ব্যাস, এখন উইন্ডোজ এর সিস্টেম বাকগ্রাউন্ড ডাটা অফ হয়ে গেল । এরপরেও যদি দেখা যায় যে, আপনি কোন কিছু ব্যবহার না করা সত্ত্বেও ইন্টারনেট খরচ হয়েই চলেছে, তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে যে, আপনার ইন্সটল করা কোন সফটওয়্যারের কারণে সেটি হচ্ছে । তবে এ ক্ষেত্রে সেই সফটওয়্যারের সেটিংস এ গিয়ে "অটো আপডেট" অফ করে দিলেই সেটি বন্ধ হয়ে যাবে । * কিভাবে বুঝবেন যে, কোন সফটওয়্যারের কোন ফাইলটি ইন্টারনেট ডাটা খরচ করছে? এ জন্য আপনি Resource Monitor ব্যবহার করতে পারেন । Resource Monitor চালু করতে কীবোর্ড এর Windows Button + R চেপে Run ওপেন করুন । Run বক্স এ লিখুন perfmon এবং এন্টার চাপুন । তাহলে নতুন একটি উইন্ডোজ ওপেন হবে, যার ডান পাশে নীল অক্ষরে লিখা দেখতে পাবেন Open Resource Monitor. ওখানে ক্লিক করলেই Resource Monitor চালু হবে এবং Resource Monitor এর Network ট্যাব এ ক্লিক করলেই আপিনি দেখতে পাবেন কোন কোন ফাইল ইন্টারনেট ডাটা ব্যবহার করছে । যেগুলোর নামের পাশে ব্র্যাকেটের মধ্যে কিছু লিখা দেখতে পাবেন, সেগুলো হলো সিস্টেম সার্ভিস, তাই ওগুলো নিয়ে ঘাটতে যাবেন না । আর যেই ফাইলটি লিস্টে সবার আগে থাকবে, সেটিই সবচেয়ে বেশী নেট ব্যবহার করবে । তবে নিচের দিকে কিছু থাকলেও সেগুলো খুব সামান্য বা নেট ব্যবহার করে না বললেই চলে । এখন সেখানকার কোনো ফাইল কোন অ্যাপ্লিকেশান এর অংশ, তা বুঝার জন্য সেই ফাইলটির নাম মনে রাখুন এবং Task Manager ওপেন করে সেই প্রসেসটি খুঁজে বের করুন এবং তার অপশনে গিয়ে Open File Location এ সিলেক্ট করুন । তখন নিজেই বুঝতে পারবেন যে, সেটা কোন সফটওয়্যারের । এরপরে সেই সফটওয়্যারের অটো আপডেট বন্ধ করে দিন আর তা না সম্ভব হলে আগে ফাইল লোকেশন বের করুন । এরপরে প্রসেসটি Kill করুন এবং ফাইল লোকেশনে দেখানো ফাইলটি ডিলেট করে দিন । তবে এভাবে ফাইল ডিলিট করার কাজটি সতর্কতার সাথে করা উচিৎ আর অনভিজ্ঞদের না করাই ভালো । কারণ, আপনি যদি AutoUpdater ফাইলটি ডিলিট করতে গিয়ে অন্য কোন ফাইল ডিলিট করে ফেলেন, তাহলে কিন্তু সমস্যা হতে পারে । যাইহোক, আজকে আর এটা নিয়ে বেশী কিছু লিখছি না । সময় ও সুযোগ পেলে System Background Data Disabler v1.0 (Beta) এর নতুন ভার্শন বের করা হবে এবং তা বর্তমান ভার্শনের তুলনায় আরো এডভান্সড করা হবে । সময়ের অভাবে বেটা ভার্শনটি আর ডেভেলপ করা হয় নি । তবে বর্তমান বেটা ভার্শনটি সম্পূর্ণ কার্যকরী (পরবর্তীতে প্রুফ ভিডিও আপলোড করা হবে) । তা ছাড়া একটা স্কিনশট দিলাম, মোডেমে ১ ঘণ্টা ৩১ মিনিট ডাটা কানেকশন অন রাখার পরেও ডাটা খরচ হয়েছে মাত্র ৬২.৭ কেবি, যা খুবই নগণ্য । আর System Background Data Disabler v1.0 (Beta) এর আপডেটেড ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিঙ্ক নিচে দেওয়া আছে, সেখান থেকে ডাউনলোড করে নিন । ফাইল সাইজ ৯০০ কিলোবাইট মাত্র ।
এবার ফোল্ডার হাইলাইট ব্যবহার করে রাঙিয়ে দিন আপনার পিসির ফোল্ডার গুলোকে
আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ফোল্ডার হাইলাইট ফুল ভার্সন। রঙিন করে নিন আপনার পিসির ফোল্ডারগুলো, ফোল্ডার হাইলাইট মজার একটি সফটওয়ার। সফটওয়ারটি যারা আগে ব্যবহার করেননি তারা এখন ব্যবহার করে দেখুন, মজা পাবেন ১০০%। পিসির ফোল্ডার গুলোর একই কালার বার বার দেখতে দেখতে আর ভাল লাগেনা !!! তাই যদি ফোল্ডার গুলো রাঙিয়ে নেওয়া যায় তাহলে কেমন হয় বলুনতো? ফ্রি সফটওয়ারটি ডাউনলোড করে নিন ডাউনলোড লিংক থেকে। ডাউনলোড লিঙ্ক click here to downlode now
ডাউনলোড শেষ হলে উইন রার দিয়ে এক্সট্রাক করুন। তাহলে সেটআপ ফাইলের সাথে folderhighlight.dll নামের একটি ফাইল পাবেন। ফুল ভার্সন করার পদ্ধতি – folderhighlight.dll ফাইলটি কপি করুন এবং c >> program files >> Folderhighligt এখানে পেস্ট করুন। ফুল ভার্সন হয়ে যাবে। এবার যে ফোল্ডারটি আপনি কালার করতে চান সে ফোল্ডারের উপর মাউসের রাইট ক্লিক করুন, দেখবেন ”Folder Highlight” নামের একটি অপশন আছে, তারপর সেখান থেকে আপনার যে কালারটি ভাল লাগে সেটা সিলেক্ট করে দিন, ব্যাস কাজ শেষ, আপনার ফোল্ডারটি রঙ্গিন হয়ে গেছে। যেসকল অপারেটিং সিস্টেম সাপোর্টকরে – উইন্ডোজ ২০০০, উইন্ডোজ ২০০৩, উইন্ডোজ এক্স-পি,উইন্ডোজ ভিস্তা উইন্ডোজ ৭ এর x86 (৩২ বিট) এবং x64(৬৪বিট), উইন্ডোজ ৮, ৮.১ এর x86 (৩২ বিট) এবং x64(৬৪বিট)। আশা করি কোন সমস্যা হবে না, তবে সমস্যা হলে জানাবেন সমাধান করার চেষ্টা করবো
Pc facebook Messenger.exe
mobile facebook Messenger ar motoi sob kesu korte parben. asha kori sobar valo lagby File size 28 mb Download link
Teletalk 2GB offer
টেলিটকের বন্ধ সিম এ ১৯ টাকা রিচার্জ করলে ২GB bonus….
শনিবার, ২১ মে, ২০১৬
জেনে নিন কোন দেশে কত কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে
আলোচনা করব ফেজবুক কতজন ব্যবহার করে। আমরা এখন ফেজবুজ নির্ভর হয়ে গেছি। ফেজুবক আমারদের প্রতিদিন কার একটি কাজের বা প্রয়োজনীয় অংশ হিসাবে ধরা হয়। ফেজবুকের মাধ্যমে বিভিন্ন খবর তথ্য বিনোদন ইত্যাদি পেয়ে থাকি। তাই ফেজবুক ছাড়া আমাদের চলে না বললেই চলে। ধরুন আপনি একটি স্কুল, কলেজ বা কোন চাকুরী বা ব্যবসা করেন এখন আপনার কলিক বা পাটনার আপনাকে বলল ভাই আপনার ফেজবুকের আইডিটা বলেন তো? আপনি যদি না বলতে পারেন তাহলে আপনাকে ওরা বোকার জগেতের বাসিন্দা মনে করবে। আসলে কি এটাই ঠিক? কেন এই তো কয়েক বছর আগে যখন ফেজবুক ছিলনা তখন মানুষ চলতে পরতো না? না আসলে সেটাও না সময়ের সাথে সবাইকে চলতে হয় এর জন্য প্রতিনিয়োত মানুষ ফেজবুক আইডি খুলছে। তবে ফেজবুক ব্যবহারের একটি নিতিমালা জানার দরকার। যেমন ভোট দিতে বয়স লাগে, বিয়ে করতে বয়স লাগে কিন্তু ফেজবুক খুলতে কোন বয়স লাগেনা। বর্তমানে প্রধান মন্ত্রি থেকে শুরু করে যত রকম পাবলিক ফিগার আছে প্রত্যেকেই ফেকবুক নির্ভরশীল হয়ে গেছে। চলুন এতক্ষন যাই বক বক করলাম এখন একনজরে বিস্তারিত দেখে বা জেনে নেই। ২০১৫ সালে পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক মনুষ ফেজবুক ব্যবহার করে। তখন কার পরিসংখ্যায় প্রায় ৩২০ কোটি ফেজবুক ব্যবহারকারী। আর বাকি ৪১০ কোনটি ফেজবুক ব্যবহার করতো না কিন্তু ফেজবুক সম্পর্কে জানত। কিন্তু দেখেন একটি বিষয় ২০১৪ সালে ব্যবহারকারী ছিল ২৯০ কোটি। একটা জরিপে দেখাগেছে যে, মোবাইল ফোন ছাড়াই ১১৬ কোটি লোক ফেজবুক ব্যবহার করত। ২০১৪ সালে এর সংখ্যাটি ছিল প্রায় ১১৯ কোটি। হিসাব করে দেখুন পৃথিবীতে ফেজবুজ ব্যবহারকারীর মধ্যে মোবাইলে ব্যবহার করে ৭৮%। মোবাইল ফোন অপারেটদের তথ্য অনুযায়ী তাদের যে পরিমান মেগাবাইট খরচ তার তার ৭০% খরচ হয় ফেজবুক ব্যবহারে।
শুক্রবার, ২০ মে, ২০১৬
ধেয়ে আসছে ‘রোয়ানু’: বিপদ সংকেত জারি
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু বাংলাদেশ উপকূলের দিকে আরও এগিয়ে এসেছে, পৌঁছে গেছে পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৩৫ কিলোমিটারের মধ্যে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শনিবার ভোর থেকেই দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চল এবং রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি চলছে আগের দিন থেকেই। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু আরও পূর্ব-উত্তরপূর্ব দিকে এগিয়ে এসে সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে কোনো এক সময় বরিশাল-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে। শেষরাতে ঘরের উপর গাছ পড়ে ভোলার তজুমদ্দিন এবং পটুয়াখালীর দশমিনায় তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বিধ্বস্ত হয়েছে বহু ঘরবাড়ি। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন আবহাওয়াবিদরা। চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে আগের মতোই ৭ নম্বর এবং কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৬ টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ২৫৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ২৩০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড় উপকূল অতিক্রম করার সময় কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর জেলা এবং সংলগ্ন দ্বীপ ও চরগুলোতে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। সে সময় ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার বেগে বয়ে যেতে পারে ঝড়ো হাওয়া। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। অতি ভারি বর্ষণে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসেরও শঙ্কা রয়েছে বলে পূর্বাভাসে সতর্ক করা হয়েছে। # খারাপ আবহাওয়ার কারণে মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরের মালামাল খালাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। # চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলেও সতর্কতামূলক সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে। # প্রতিকূল আবহাওয়ায় সব ধরনের নৌ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল কর্তৃপক্ষ। # সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রস্তুত উপকূল জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান বলেন, “এ নিয়ে বেশি আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আশা করি, ঝড়ো আবহাওয়ায় জানমালের ক্ষতি হবে না বাংলাদেশে। সরকারও ইতোমধ্যে দুর্যোগ মোকাবেলায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছে।” দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শাহ কামাল জানিয়েছেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় ‘সব ধরনের প্রস্তুতি’ রাখা হচ্ছে। >> ১৮ জেলার সাড়ে ২১ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে ৩৮৫১টি আশ্রয়কেন্দ্রে। প্রচার করা হচ্ছে সতর্কবার্তা। >> দুর্যোগ মোকাবেলার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে উপকূলীয় জেলাগুলোয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। >> উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কমিটির (সিপিপি)৫৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক ছাড়াও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, রোভার স্কাউট ও আনসার ভিডিপির কর্মীরা কাজ করছেন একসঙ্গে। >> জেলা-উপজেলা-ইউনিয়ন পর্যায়ের দুর্যোগ মোকাবেলা সংক্রান্ত কমিটিকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে কর্মকর্তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে থাকার নির্দেশনা দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। >> উপকূলীয় এলাকার বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের শুকনো খাবার ও খাবার পানি প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাতে আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে চট্টগ্রাম, পায়রা ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর ‘বিপদ সংকেত’ দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। কক্সবাজারকে দেখাতে বলা হয়েছে ৬ নম্বর ‘বিপদ সংকেত’। ঝড় মোকাবেলার প্রস্তুতি হিসেবে ঊপকূলীয় এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বন্ধ করা হয়েছে সব ধরনের নৌ চলাচল। আবহাওয়ার বুলেটিনে বলা হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোসাগর এলাকা থেকে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু পূর্ব-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে মধ্যরাতে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থান করছিল। এ সময় ঝড়ের অবস্থান ছিল মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিম, পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩২৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিম, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৪৯০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিম এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৮০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে। সে সময় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়োহাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল। আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান সন্ধ্যায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা পর্যবেক্ষণ করে দেখে দেখেছি, ঘূর্ণিঝড়টি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করছে।” এই ঝড় আরও পূর্ব-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে শনিবার সকাল বা দুপুর নাগাদ বরিশাল-চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে বুলেটিনে বলা হয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে ভোর থেকেই উপকূলীয় এলাকায় দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আভাস রয়েছে। এই ঝড়ের প্রভাবে শুক্রবারই দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টিপাত শুরু হয় বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ জানান। তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ৫ থেকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের মাত্রা একই। ঝড় বন্দরের কোন দিক দিয়ে যাবে তার ভিত্তিতে নম্বর আলাদা করা হয়। “বিপদ সংকেতের মানে হচ্ছে, বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতার এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়েছে। ঝড়ে সময় বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার থাকবে।”
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০১৬
ফাটাফাটি অফার! গ্রামিনগ্রামিন ফোন এ ১১ টাকায় নিন 1GB 3G Data। দিন রাত ২৪ ঘন্টা ইউজ করা যাবে
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। কেন আছেন সবাই, আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সবাই ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আপনারা যাতে ভালো থাকেন সেই কাম না করে আজকের টিউন লেখা শুরু করছি। কাজের কথায় আসি৷ GrameenPhone এ 10.75 টাকায় নিন 1GB 3G Data। Internet ব্যবহার করেন না এমন সিমে 10.75 টাকায় নিন 1GB 3G Data. offer টি আপনি পাবেন কিনা জানতে DT space নাম্বার লিখে 9999 এ পাঠান। তাছাড়া কাউকে check করে দিলে আপনিও পাবেন 25MB free. Offer টি নিতে eligible number থেকে FD লিখে 9999 এ পাঠান। আর 25mb পেতে NU space Checker number লিখে 9999 এ পাঠান।10 বার পাওয়া যাবে। MB check 56610#
মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০১৬
ডিজেবল করে দিন শত্রুর ফেসবুক একাউন্ট!!!
আপনারা অনেকেই চান যে আপনার শত্রুর ফেসবুক একাউন্ট ডিলিট করে দিতে । কি চান না? ১ম সাবধানতাঃএটা সম্পূর্ণ একটি শিক্ষার জন্যে লিখা ।কারও ক্ষতির জন্যে না ।কেউ যদি এটা করেন কারও ক্ষতির জন্যে তবে নিজ দায়িত্বে করবেন । এতে আমি কোন প্রকারের দায়ী থাকবো না । ২য় সাবধানতাঃ যেই একাউন্ট ডিলিট করে দিবেন তা আর কখনই ফেরত পাবেন না। এই কাজটা করতে আপনাকে বেশ কিছু স্টেপপার হতে হবে । কি সেই স্টেপ গুলো? আসুন জেনে নিই । যা যা লাগবে এই কাজ করতেঃ ১.যিনি ভিকটিম তার ফেসবুক প্রোফাইল লিঙ্ক।এটা আপনি সহজেই পাবেন। ২.ভিকটিমের ইমেইল আইডি,যেটা দিয়ে তিনি লগ ইন করতে ব্যাবহার করে। ৩.ভিকটিমের জন্ম তারিখ(তারিখ/ মাস/বছর) যা তিনি প্রোফাইলে ব্যাবহার করেছে। ৪.ভিকটিমের ফেসবুক প্রোফাইলের নামেরপ্রথম এবং দ্বিতীয় অংশ দিয়ে একটি ফেইক ইমেইল আইডি বানাবেন ইয়াহু অথবা জিমেইল এ । নিচের লিঙ্ক টি তে যান http://www.facebook.com/help/identify.php? show_form=hack_nologin_access এখন যা যা করনীয়ঃ ১.আপনি যেই ফেইক ইমেইল আইডি বানিয়েছিলেন তা উপরে দিন। ২.আপনার সমস্যার সমাধানের জন্যে ফেসবুক থেকে আপনি একটা ইমেইল পাবেন। আপনি সেই ইমেইলে রিপ্লাই দিবেন এভাবেঃ I cannot access my Facebook and even I cannot access my Email ID associated with this account. এখানে আপনার কাছে ফেসবুক যেইসব ইনফরমেশন চাইতে পারে তা উপরের ১,২,৩ নং এ দেয়া আছে। ৩.এখন আপনার কাজ শুধু পাহারা দেওয়া যে ভিকটিম তার ফেসবুক একাউন্ট ওপেন করে কিনা । সে যদি ফেসবুক একাউন্ট ওপেন না করে তবে ফেসবুক থেকে আপনার কাছে সেই ফেইক ইমেইল আইডি তে একটি ইমেইল আসবে এভাবে “Are you access associated Email Account or not?” এখন আপনি আগের মত একই কথা লিখেরিপ্লাই দিন আবার । ৪.পরের দিন আপনি ফেসবুক থেকে ইমেইল পাবেন “your account has been Disabled” ৫.এখন আপনার কাজ শেষ।কিন্তু আবারও বলছি যে,১ম এবং ২য় “সাবধানতা” ফলো করবেন দয়া করে। তাহলে আমি আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি । সবাই ভালো থাকবেন । খোদা হাফেজ
সোমবার, ১৬ মে, ২০১৬
WALTON এর অনলাইন অর্ডার হতে সাবধান! বাজে অভিজ্ঞতার বিস্তারিত রিভিউ
প্রথমেই বলে নিচ্ছি আমি ওয়াল্টনের প্রডাক্ট কোয়ালিটি নিয়ে কিছু বলবো না (এটা আপনারা বলবেন)। আমি অনেক দিন ধরেই ওয়াল্টনের বিভিন্ন প্রডাক্ট ব্যবহার করি এবং দেশি কোম্পানী হিসেবে অন্যদেরও উৎসাহিত করি। আমার কাছের বন্ধু-বান্ধব সহ সবাই এটা জানে। এমনকি ওয়াল্টনের মোবাইল নিয়ে রিভিউ লিখেছি বেশ কয়েকবার। তাহলে এখন কিসের রিভিউ লিখছি? অনেকটা বলতে পারেন সার্ভিসের রিভিউ। একটা ব্র্যান্ড তখনি প্রতিষ্ঠিত হয় যখন ক্রেতা প্রডাক্ট এবং সার্ভিস নিয়ে সন্তুষ্ট হয়। যারা মার্কেটিং করেন তারা ভাল করেই জানেন কাস্টমার সাপোর্ট কতটা গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় কাস্টমার সাপোর্টের কারণে ভাল কোয়ালিটির প্রডাক্টও বিশ্বস্ততা হারায়। কিছুদিন আগে WALTON এর একটি বিজ্ঞাপন দেখি ফেসবুকে। ওয়াল্টনের এয়ার কুলারের উপর বিশেষ মূল্যছাড় এবং সেখানে অনলাইন অর্ডারকে উৎসাহিত করা হয়েছে। যেহেতু এই গরমে এয়ার কুলার হলে মন্দ হয় না এবং ওয়াল্টনের ওয়েবসাইট থেকে কখনো অনলাইন অর্ডার করা হয়নি তাই চিন্তা করলাম একটু চেক করে দেখা যাক অনলাইন সার্ভিস কেমন। গত মাসের ১৭ তারিখ ওয়াল্টনের ওয়েবসাইট থেকে WRA 1181 মডেলের এয়ার কুলারটি অর্ডার করি। যদিও ওয়েব সাইটে লিখা ছিল ৬ মাসের ওয়ারেন্টি কিন্তু হাতে পাওয়ার পর জানতে পারি মূল্যছাড়ের প্রডাক্টে কোন ওয়ারেন্টি নেই। সে যাই হোক, অনলাইনে অর্ডার করার পর সাথে সাথেই বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট ক্লিয়ার করে ফেলি। যদিও আমাকে কোন ফোন অথবা ম্যাসেজ করে কনফার্ম করা হয়নি। পরে আমি নিজেই ফোন করে নিশ্চিত হয়ে নেই। ওয়াল্টন এয়ার কুলার অর্ডার করার একদিন পরে আমাকে ফোন করে বলা হয় রাতে এয়ার কুলারটি বাসায় দিয়ে যাবে। সেই অনুযায়ী পরের দিন রাতে আমাদের বাসার কাছে এসে ওয়াল্টনের সার্ভিস কর্মীর ফোন পাই। আমরা ৬ তলায় থাকি, তাই সার্ভিস কর্মী বলল ভাই রাত করে আবার বাসায় যাবো তাই এখান থেকে প্রডাক্ট নিয়ে যান। আমি বললাম, এয়ার কুলার টেস্ট করে দিয়ে যান নাহলে সমস্যা থাকলে বুঝবো কি করে। তখন উনি বললেন কোন সমস্যা নেই, আমরা টেস্ট করে নিয়ে এসেছি। তাই আমি আর তেমন জোর করলাম না যেহেতু নতুন প্রডাক্ট এবং টেস্ট করে এনেছে তাই সেখান থেকেই নিয়ে বাসায় চলে আসি। এবার বাসায় এনে প্লাগ লাগানোর পর দেখি চার্জ হচ্ছে না। আমি যেহেতু পূর্বে এই প্রডাক্ট ব্যবহার করিনি সেহেতু ভাল করে জানিও না এটা চার্জ হলে কোন নটিফিকেশন লাইট জ্বলে কিনা। সাথে সাথেই আমি সার্ভিস কর্মীকে ফোন দেই এবং বলি এটা চার্জার কেবল ঠিকভাবে প্লাগ ইন হচ্ছে না তাই কোন চার্জের ইনডিকেডর জ্বলছে না। অথবা চার্জার নষ্ট তাই চার্জ হচ্ছে না। সার্ভিস কর্মী জানালো এই এয়ার কুলারের কোন চার্জ নটিফিকেশন নাই অর্থাৎ এটা চার্জ হচ্ছে সেটা বুঝার কোন উপায় নেই। আমি বিশ্বাস করলাম এবং ম্যানুয়ালের গাইড লাইন মত সারা রাত চার্জ দিলাম। পরের দিন সকালে চেক করে দেখি এটা আসলে চার্জই হয়নি তাই কিছুক্ষন চলার পর বন্ধ হয়ে যায়। ম্যানুয়াল বই ভাল মত চেক করে দেখি আসলে চার্জ ইনডিকেটর রয়েছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য কাস্টমার কেয়ারে ফোন দেই এবং বলা হয় হ্যা চার্জ ইনডিকেটর রয়েছে অর্থাৎ যখন চার্জ হবে তখন ব্যাটারির মত আইকন জ্বলে থাকবে। নিশ্চিত হওয়ার পর সেই সার্ভিস কর্মীকে বেশ কয়েকবার ফোন দেই কিন্তু ফোন রিসিভ করে না এবং কিছুক্ষন পর ফোন বন্ধ পাই। অনেকক্ষন পরে অন্য নাম্বার থেকে ফোন দেই এবং কথা বলি। সার্ভিস কর্মী তখনো আমাকে বুঝাচ্ছে কুলার ঠিক আছে। পরবর্তীতে অনেকটা বাধ্য হয়ে ওয়াল্টন প্লাজাতে এয়ার কুলারটি নিয়ে আসি। শো রুমে এয়ার কুলার আনার পর তারা চেক করে দেখলো হ্যা আসলেই চার্জ হচ্ছে না। তখন বলা হলো এটা আসলে চার্জ হচ্ছে কিন্তু দেখা যাচ্ছে না। অর্থাৎ তখনো আমাকে এটা ঠিক আছে এমনভাবে বুঝানো হচ্ছিল। অনেকক্ষন টেস্ট করার পর যখন বুঝতে পারলো এটাতে আসলেই সমস্যা আছে তখন আমাকে বললো এটা সার্ভিস কেয়ারে নিয়ে যান, সেখান থেকে ঠিক করে দিবে এবং যা সার্ভিস চার্জ আসে তা পরিশোধ করে নিয়ে আসবেন! আমি যে প্রডাক্টটি একদিনও ব্যবহার করিনি এবং বাসায় টেস্ট করে দিয়ে যায়নি এবং সাথে সাথেই জানিয়েছি সমস্যা আছে সেই প্রডাক্ট এখন আমাকে সার্ভিস কেয়ারে নিয়ে টাকা দিয়ে ঠিক করতে হবে! কিছুক্ষন পর সেই সার্ভিস কর্মী আমার সাথে রাগারাগি শুরু করে এবং উলটো আমাকেই দোষ দিচ্ছিল। যেন অনলাইনে অর্ডার দিয়ে আমিই মস্ত বড় ভুল করে ফেলেছি। তারপর এক সময় বলে; ঠিক আছে এটা রেখে যান আমরা সার্ভিস কেয়ারে নিয়ে ঠিক করবো এবং যা বিল আসে দিয়ে দিয়েন। আমি যখন শো রুমে ছিলাম তখন আমার সামনেই দেখলাম একজন ক্রেতাকে উনি বলতেছেন শো রুম থেকে এসি কিনার চেয়ে অনলাইনে অর্ডার করলে মূল্য হ্রাস আছে তাই অনলাইনে অর্ডার করুন। অর্থাৎ অনলাইন থেকে অর্ডার করুন তাহলে নষ্ট অথবা সার্ভিস করা প্রডাক্ট গছিয়ে দিতে পারবে! এমনকি উনাদের মধ্যে কেউ একজন মুখ ফসকে বলেই দিয়েছিল এই কুলার ডিসপ্লে প্রডাক্ট ছিল অর্থাৎ অনেকদিন যাবত ব্যবহৃত হয়েছে এবং সুযোগ বুঝে আমার বাসায় পাঠিয়ে দিয়েছে। শুধু এখানেই শেষ না, এয়ার কুলার জমা রাখার প্রায় ১ মাস পর আমি এয়ার কুলার হাতে পাই। যদিও এর মধ্যে বেশ কয়েকবার কাস্টমার কেয়ারে ফোন দিয়েছি এবং শো রুমের সাথেও কথা বলেছি। আর এই সব কিছুর প্রধান সমস্যা হল অনলাইনে অর্ডার করেছি! যদি সরাসরি শো রুম থেকে নিয়ে আসতাম তাহলে নষ্ট প্রডাক্ট কিংবা ডিসপ্লে প্রডাক্ট গছিয়ে দিতে পারতো না। এতক্ষন যে ওয়াল্টন প্লাজার সার্ভিসের কথা বলছি সেটা হচ্ছে ওয়াল্টনের অন্যতম প্রধান শো রুম বসুন্ধরা সিটি ওয়াল্টন প্লাজা। অর্থাৎ প্রধান শো রুমের অনলাইন সার্ভিস যদি এমন হয়ে থাকে তাহলে অন্যান্য জায়গায় কি অবস্থা হতে পারে চিন্তা করে দেখেছেন? শুধু চকচকে ওয়েব সাইট হলেই কাজ শেষ? গাইড লাইনের প্রয়োজন নেই? আমি অনেকটা এক্সপেরিমেন্ট হিসেবেই অনলাইন অর্ডার করে টেস্ট করে দেখলাম এবং ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হলো। আমি বলছি না সবার অভিজ্ঞতাই এমন হবে তবে আমার পরামর্শ হবে অনলাইন অর্ডার থেকে সতর্ক থাকুন। শো রুম থেকে সরাসরি যাচাই করে পন্য কিনুন; এরা এখন পর্যন্ত এতটা বিশ্বস্ত হয়নি যাতে প্রডাক্ট না দেখেই অর্ডার করা যায়। হয়ত এই কারণেই সবাই অ্যামাজন কিংবা আলিবাবা কবে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করবে সেই পানে চেয়ে আছে। আর হ্যা প্রমান স্বরুপ এখনো ওয়েব সাইটে গেলে দেখতে পাবেন অনলাইন মূল্য কম রাখা হয়েছে অর্থাৎ অনলাইনে কেনার জন্য উৎসাহ দেয়া হচ্ছে!! আমি যে তথ্যগুলো দিলাম সেটা যদি কোন ওয়াল্টন কর্মী যাচাই করে দেখতে চান সে জন্য আমি জব আইডি দিয়ে দিলাম। ০০২১১৪৪৯ যেটা বসুন্ধরা ওয়াল্টন প্লাজা নামে আছে। আর হ্যা আমি যে সার্ভিস কর্মীর কথা বলেছি তার নাম্বার এখনো ওয়াল্টন ওয়েবসাইটে বসুন্ধরা সিটি সিলেক্ট করলে দেখা যায়। অর্থাৎ আপনি যদি অনলাইনে বসুন্ধরা সিটি থেকে ওয়াল্টনের কোন প্রডাক্ট কিনেন তাহলে উনিই আপনার প্রডাক্ট যত্ন সহকারে বাসায় দিয়ে যাবে। আর হ্যা সবাইকে সতর্ক করতে টিউনটি সবার মাঝে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ সবাইকে।
রবিবার, ১৫ মে, ২০১৬
উদ্দেশ্য নেই (2014) #Tahsan's Lyrics - Album: Uddesso Nei
1.কে তুমি?, 2.শেষের গান, 3.উদ্দেশ্য নেই, 4.কতদূর, 5.পাঁজরের ভাঙ্গা হাওয়া, 6.আমি সেই সুতো,7.তোমায় ঘিরে, 8.After the rise, 9.হিসেবের অভিশাপ, 10.আদর, 11.স্পর্শের বাইরে Credits: Vocals: Tahsan (All Tracks), Mithila (Track 2), Kona (Track 7), Elita (Track 11) & Tashfee (Track 8) Guitars: Tanvir Tori Bass : Sohel Choir : Lilacia Choir Bangladesh (Track 8) Mixing and Mastering: ZooEL (All tracks except 4 & 7) & Sajid Sarkar (Track 4 & 7) Photography: Artland Session Management: Aryan -------------________------------- Track- 01/ কে তুমি Album: উদ্দেশ্য নেই কে তুমি? কেনো এখানে? কেনো এতদিন পরে? পেছনে ফিরে দেখো তুমি, অপ্রত্যাশিত অতিথি চোখ ফেরালে বলো কেনো, ভয় পেয়েছো কি, নাকি অরতি? জানি প্রতিটা স্বপ্নে তুমি দেখেছো আমায় নিরন্তর ছিলে আমারই ছায়ায় তবে চোখ মেলাতে কি বিরোধ? ভুল করে একটাবার প্রাচীরটা ভেঙ্গে দেখো জমে আছে কত কথা ভুল করে বলে দিও জন্মান্তর যদি মিথ্যে হয়, এই হবে শেষ দেখা ভালোবাসি কেনো যে তোমায়, হবেনা আর কখনও বোঝা। জানেনা যে কেউ আমি অবতার সমাজের চোখে শুধু তিরস্কার ধ্বংস করে দিয়ে সে সংস্কার পূরণ করেছো দেরিদার সৎকার জানি প্রতিটা মুখপাঠ্য অন্তস্থ জানি বায়বীয় জগতে যে আমারই থাকো তবে চোখ মেলাতে কি বিরোধ? Track- 02/ শেষের গান Album: উদ্দেশ্য নেই শুনেছি আমি তুমি ভালোই আছো ভুলে গেছো আমায় আবার উড়তে শিখেছো শুনেছি আমি জীবন নাকি থেমে থাকে না তবু কেন আমি তোমায় ভুলতে পারিনা বল তুমি ছাড়া আর কে আছে আমার সব গানে আমি চেতন মনে, আর কতো দিন আমায় কাঁদাবে? যত দূরে থাকো, এত কেন কাছে আজও অনুভবে আছো তুমি যত দূরে থাকো, এত কেন কাছে সেই স্পর্শ তোমার আজও আছে শুনেছি আমি তুমি ভালোই আছো ভুলে গেছো আমায় আবার উড়তে শিখেছো শুনেছি আমি জীবন নাকি থেমে থাকে না তবু কেন আমি তোমায় ভুলতে পারিনা বল তুমি ছাড়া আর কে আছে আমার সব ফ্রেমে ফেলে আসা যত সুখের স্মৃতি কেনো আজ কাঁদাবে? যত দূরে থাকো, এত কেন কাছে আজও অনুভবে আছো তুমি যত দূরে থাকো, এত কেন কাছে সেই স্পর্শ তোমার আজও আছে বল আমায় ছাড়া সত্যি তুমি হাসতে যদি পারো তবে দূরেই থাকো অনেক দূরে হয়ে অন্য কারো Track- 03/ উদ্দেশ্য নেই Album: উদ্দেশ্য নেই উদ্দেশ্য কী? উদ্দেশ্য নেই তুই তবুও তো কাছে তোকে নিয়ে ঘুমের মাঝে তুই ডানা দিয়ে মেঘ কেটে হারাস মেঘে মেঘে থাকি আমি তোকে ঘিরে বাতাস হয়ে যাবে কি সেথায়? যেখানে আলো আর সুখের মিছিল তবে কেনো এই বসে থাকা উদ্দেশ্যহীন হারাবে কি আমার সাথে? উড়বে কি ডানা মেলে? Track- 04/ কতদূর Album: উদ্দেশ্য নেই ঐ দূরের আকাশ আজ রঙিন হলো বদলে যাওয়ার নিয়মে তাই বদলে গেছে সব ইচ্ছেগুলো সঙ্গী করে তোমাকে দেখো উড়ছে দূরে কত রঙিন ঘুড়ি উড়তে থাকা মিছিলে আর দেখছি তোমায় দু’চোখ জুড়ে বন্দী তোমার মায়াতে কতদূর, কতপথ একা একা ছুটে যাওয়া দিন শেষে পথের বাঁকে অবাক হয়ে খুঁজে পাওয়া তোমাকে ঘুম ভেঙ্গে ওঠা ভোরের উদাস হাওয়া চোখ মেলে তাকিয়ে ডানা মেলে ওড়া স্মৃতির ঘরে ফেরা তোমায় জুড়ে হারিয়ে অনেক অবুঝ চাওয়া তোমায় ফিরে পাওয়া আঁধার কোথায় পালিয়ে মনের গহীন দ্বারে সময় কড়া নাড়ে আছো তুমি পাশে দাঁড়িয়ে Track- 05/ পাঁজরের ভাঙ্গা হাওয়া Album: উদ্দেশ্য নেই আদিম অকৃত্রিম বর্ণমালা সে জানে ক্ষণিকের পরিচয়ে ছন্দপতন এ প্রাণে পাঁজরের সেই হাড় হঠাৎ ব্যথায় কাতর সে যে ছুটে যায় ঐ হৃদয়ের বাম প্রকোষ্ঠে। ভারসাম্যহীন রুগ্ন কাতর আমি আজ ভীত সন্ত্রস্ত ওই আদিমানবী দেখে। স্বর্গ যদি হয় অচেনা অপ্সরীদের আসর চাইনা আমি স্বর্গ, আমি তোমার স্পর্শ চাই মিথ্যে অভিনয়, ঠুনকো বাধা বিদ্রুপ ওদের পারবে না কিছু থামাতে, রাশিতে লেখা এ প্রেম তুমি জানো আমি তোমার, তুমি জানো আমি তোমার তুমি আমার সেই পাঁজরের ভাঙ্গা হাওয়া। অপ্সরী আমি দেখিনি গল্প শুনেছি অনেক বর্ণনা সে যে ফিকে তোমার আদিম ইশারায় আদিমানবী কি ছলনা, নাকি প্রকোষ্ঠ বন্ধনী? আমি জেনেছি করে হেঁয়ালি, আমি দীপ্র সে আমারই। Track- 06/ আমি সেই সুতো Album: উদ্দেশ্য নেই আমি সেই সুতো হব যে তোমায় আলোকিত করে নিজে জ্বলে যাবো আমি সেই নৌকা হব যে তোমায় পাড় করে নিজেই ডুবে যাবো হব সেই চোখ যে তোমায় দেখেই বুঁজে যাবো হব সেই সুর যে তোমায় মাতিয়ে করুণ হব হব সেই চাঁদ যে হয়ে গেলে রাত তোমায় আলো দেবে দিন ফিরে এলে আবার ফুরিয়ে যাবো শুধু ভালোবেসো আমায় ঝরিয়ে আমার চোখের বৃষ্টি আনব রংধনু শুধু আপন থেকো ভালোবেসো আমায় করে প্রমাণ মহৎ তোমায় হয়ে যাবো আমি নগণ্য এ অপরাধ হলে আমি অপরাধী ভেবে নেবো এটাই পূণ্য Track- 07/ তোমায় ঘিরে Album: উদ্দেশ্য নেই তোমায় ঘিরে যে ভালোলাগা হয়নি বলা ভাষায় হাজার ভিড়ের মাঝে খুঁজে পাওয়া সেই তুমি আজ কোথায় তোমাকে নিয়ে সেই স্মৃতিরা শুধু খুঁজে ফেরে আমাদের কি যেন কি ভেবে আছো সুদূরে এসোনা ফিরে হৃদয়ে সময় জুড়ে শুধু শূন্যতা নিরবে ছুঁয়ে থাকে ভুলেও আমি ভাবিনি হারাবো কখনও তোমায় এভাবে তোমাকে নিয়ে স্বপ্নগুলো আজও খুঁজে ফেরে আমাদের কি যেন কি ভুলে হারিয়ে গেলে এসোনা ফিরে হৃদয়ে মনের আকাশে মেঘের ভেলা বেদনার বৃষ্টি ঝরে এতো কাছে ছিলে তবুও পারিনি কেন তোমায় বোঝাতে তোমাকে নিয়ে স্বপ্নগুলো আজও খুঁজে ফেরে আমাদের কি যেন কি ভেবে হারিয়ে গেলে এসোনা ফিরে হৃদয়ে তোমাকে নিয়ে স্বপ্নগুলো আজও খুঁজে ফেরে আমাদের কি যেন কি ভুলে হারিয়ে গেলে এসোনা ফিরে হৃদয়ে Track- 08/ After the rise Album: উদ্দেশ্য নেই This man I am, this sinner within The time has come for me to rise finally You are not alone, I’m ready too The time has come for us to rise finally This is a reason we have been called A calling that we shared The time has come to rise above despair The greed and lust we celebrate The selfish lives we lived They brought us down, but finally we see There's a God in us all The source of peace and endless bliss All we have to do is rise and be with thee The endless greed, pursuit for more will end as we rise It will make room for gratitude And we will be just free after the rise It is not the end, the fight is still on It is hard to see beyond the vague reality The things we teach brew greed and regret The cluttered thought still wins as we rise finally Track- 09/ হিসেবের অভিশাপ Album: উদ্দেশ্য নেই তুমি কোথায়? বিরহ যুদ্ধে আমি নিঃসঙ্গ অস্থির আমার আণবিক কণাগুলো খুঁজেফেরে ইহকাল আমার আণবিক কণাগুলো খোঁজে অনন্তকাল বদলে যাবো আমি, ধুলোয় মিশে যাবে অস্থি স্বর্গের প্রবেশদ্বার কেন উন্মুক্ত হবে না তোমার আদেশে অনলের বিচ্ছুরণ কেন সত্তা ঘিরে আমার এ পূণ্য, আমার এ পাপ তোমার হিসেবের অভিশাপ দুঃসাহস এ আমার আমি করছি প্রতিবাদ মনের কোঠায় জমে থাকা কথাগুলো এতো সরল সত্য তবু কেনো.. বলতে কেন বারণ? কেনো এতো ভয়? বিনম্র শ্রদ্ধা, নিষ্কলুষ কৃতজ্ঞতা তোমার কাছে সমর্পণ তবু বলতে দ্বিধা করবো না মনের কোঠায় অব্যক্ত প্রতিবাদের সত্য ভাষা Track- 10/ আদর Album: উদ্দেশ্য নেই তোমার শেখানো আদর আজও ছায়াতে মিশে আছে আছো ভুলে সেই আদর তুমি ধুলো জমা স্মৃতীর কাব্যে তোমার শেখানো আদর আজও ছায়াতে মিশে আছো ভুলে সেই আদর তুমি, আমি নেই পাশে কিছু খামখেয়ালী প্রেম কিছু রূপকথার ভাষা আজও আমার স্মৃতিতে কিছু মিথ্যে সংগ্রাম নিয়ে অবোধ শরীরে বেঁচে আছি সেই আদরে কিছু হাসি ঠাট্টার বেলা, কিছু সারারাত কথা বলা আজও আমার স্মৃতীতে কিছু দেয়ালে দেয়ালে প্রেম, কোটি লোমকুপের গহীনে বেঁচে আছি সেই আদরে বিষন্নতার আড়ালে আছে, জমে থাকা প্রেম। গুটি গুটি পায়ে প্রেম শেখা তোমার ঐ স্পর্শ ছিলো আদর মাখা একা প্রহরে এযে নতুন সুর ধরে, বেঁচে আছি আমায় নিয়ে আজ ভাববোনা তোমায়, আর গড়বোনা স্বপ্ন, থাকব বেঁচে সেই আদরে। Track- 11/ স্পর্শের বাইরে Album: উদ্দেশ্য নেই ফ্রেমে বন্দী কোন ক্যামেরায় গ্রীষ্মের পড়ন্ত বিকেল তুমি অথবা বর্ষার আকাশে মেঘের আদলে লুকিয়ে থাকা ঐ রোদ তুমি তোমার ঐ মেঘকালো চোখের ভাষায় মাতাল করা হাসি আর ভেজা চুলে গোলাপি ঐ ঠোঁটের ব্যালকনিতে রঙ তুলিতে আঁকা আমার অবসর বিকেল সব তুলনার উর্ধ্বে তুমি আজও তোমার স্পর্শ লোভে খুঁজি তোমায় স্বপ্ন গানে আজও তোমার অপেক্ষাতে টুকরো কিছু বাক্যে স্বপ্নে আপন মাঝখানে অদৃশ্য দেয়াল খুঁজে ফিরি তোমায় কোন মায়ায় দাঁড়িয়ে যেন উপহাসে হারিয়ে সেই সকাল, হারিয়ে সেই বিকেল বৃষ্টি ভেজা দুপুর, অলস মেঘ রোদ্দুর আসবে না জানি ফিরে TAGs: #কে_তুমি?, #শেষের_গান, #উদ্দেশ্য_নেই, #কতদূর, #পাঁজরের_ভাঙ্গা_হাওয়া, #আমি_সেই_সুতো, #তোমায়_ঘিরে, #After_the_rise, #হিসেবের_অভিশাপ, #আদর, #স্পর্শের_বাইরে
শুক্রবার, ১৩ মে, ২০১৬
বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০১৬
বুধবার, ১১ মে, ২০১৬
যারা এসএসসি পরীক্ষায় আশানুরূপ ফলাফল অর্জন করতে পারেননি, তারা যেভাবে ফলাফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করবেন
মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় এবার গড় পাসের হার ৮৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন। গত বছর মোট জিপিএ ৫ পেয়েছিল ১ লাখ ১১ হাজার ৯০১ জন। গতবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ দুই হাজার ১৪০ জন কম। তবে কোনো শিক্ষার্থী যদি ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করতে চান তাহলে করতে পারবেন। এজন্য রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক থেকে আগামী ১২ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে। ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইযেন্টিফিকেশন নম্বর) দেওয়া হবে। আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য ১২৫ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে। যে সব বিষয়ের দুটি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে যে সব বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করলে দুটি পত্রের জন্য মোট ২৫০ টাকা ফি কাটা হবে। একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে, এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে।
সোমবার, ৯ মে, ২০১৬
১১ তারিখ ssc পরীক্ষার রেজাল্ট জেনে নিন নিয়ম-Rimon
প্রথমে আমার সালাম নেবেন। আশা করি ভালো আছেন। কারণ এই সাইটের এর সাথে থাকলে সবাই ভালো থাকে। আর আপনাদের দোয়ায় আমি ও ভালো আছি। কাল Ssc Exam: বাংলাদেশের government server তেমন ভালো না। একটু লোড হলেই server Down. এটা চিন্তার বিষয় রেজাল্ট পাব কেমনে??? Don’t Worry,যেখানে সমস্যা সেখাই সমাধান। তাই একটু ভিন্ন কিছু করলামঃ আপনাদের জন্যে খুঁজে নিয়ে এলাম একটি ওয়েব সাইট যেখানে কোন সমস্যা ছাড়াই পরীক্ষার রেজাল্ট পবেন। এখানে ক্লিক করুন CLICK HERE TO VIEW RESULT 2016
এছাড়া sms এ পাওয়ার নিয়মঃ পরিক্ষার্থীরা মোবাইল এস.এম.এস এর মাধমে পরিক্ষার ফলাফল নিতে পারবে। SMS এর মাধ্যমে ফলাফল পাওয়ার পদ্ধতি নিচে দিলাম, SMS পদ্ধতি ssc বোর্ডের জন্যঃ SSCFirst 3 Letters of Your BoardRoll NumberPassing Year and send SMS 16222. উদাহরণঃ SSC Dha 123456 2015 and send SMS 16222 SMS পদ্ধতি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের জন্যঃ DakhilFirst 3 Letters of Your BoardRoll NumberPassing Year and send SMS 16222. উদাহরণঃ Dakhil Mad 123456 2015 and send SMS 16222 এসএসসি ভোকেশনালের জন্যঃ SSCFirst 3 Letters of Your BoardRoll NumberPassing Year and send SMS 16222. উদাহরণঃ SSC Tec 123456 2015 and send SMS 16222 কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভাল থাকুন,সুস্থ থাকুন। যাতে সকলেই পাস করে সেই কামনা করে শেষ করছি আল্লাহ্ হাফেজ।
পাশে আছি সবসময় রিমন
জেনে নিন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে ব্যবহারিত
আজকাল আমরা সবাই প্রায় কম বেশি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে থাকি। এই মাধ্যমগুলোতে আমরা বিভিন্ন প্রকারের ছবি ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আপনারা কি জানেন যে প্রতিটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেই ব্যবহারিত ছবিগুলোর কিছু সঠিক মাপ রয়েছে। জানতেন না? চলুন তবে, জেনে নেয়া যাক। ফেসবুক প্রোফাইল ইমেজ - ১৮০x১৮০ পিক্সেল। কভার ফটো - ৮৫১x৩১৫ পিক্সেল। টাইমলাইনে শেয়ার করা ইমেজের আকার - ১২০০x৬৩০ পিক্সেল। টাইমলাইনে শেয়ার করা লিংকের ইমেজের আকার - ১২০০x৬২৭ পিক্সেল। ফেসবুক পেজের কভার ফটো - ৮২৮x৩১৫ পিক্সেল। টুইটার প্রোফাইল - মূলত ৪০০x৪০০ পিক্সেল রিকমান্ড করা হয়ে থাকে যদিও সেটা ডিসপ্লে করা হয় ২০০x২০০ পিক্সেলে। হেডার - ১৫০০x৫০০ পিক্সেল। টাইমলাইনে শেয়ার করা ইমেজের আকার - টুইটার ফিডের ক্ষেত্রে এজন্য সর্বনিম্ন ৪৪০x২২০ পিক্সেল এবং সর্বোচ্চ ১০২৪x৫১২ পিক্সেল। ইন্সটাগ্রাম প্রোফাইল - ১৮০x১৮০ পিক্সেল। যদিও এটি ডিসপ্লে করা হয়ে থাকে ১১০x১১০ পিক্সেলে এবং ওয়েবের ক্ষেত্রে একটি বাউন্ডিং বক্সের মধ্যে সার্কেলে এই ইমেজটি প্রদর্শন করা হয় যার আকার ১৫২x১৫২ পিক্সেল। ছবি - ১০৮০x১০৮০ পিক্সেল। কিন্তু।, ইন্সটাগ্রাম এই ছবিগুলোকে স্কেল করে থাকে ৬১২x৬১২ পিক্সেলে। যেহেতু বর্তমানে আর ব্যবহারকারীকে বাধ্যতামূলক ভাবে স্কয়ার ছবি আপলোড করতে হয়না তাই ল্যান্ডস্কেপ ইমেজের ক্ষেত্রে একজন ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ ১০৮০x৫৬৬ পিক্সেল এবং প্রোট্রেটের ক্ষেত্রে ১০৮০x১৩৫০ পিক্সেল পর্যন্ত আপলোড করতে পারবেন। প্রোফাইলে রাখা ফটো থাম্বনেইল - ১৬১x১৬১ পিক্সেল। ইউটিউব চ্যানেলের কভার - ২ ৫৬০x১৪৪০ পিক্সেল। ভিডিও থাম্বনেইল - ১২৮০x৭২০ পিক্সেল। চ্যানেল আইকন - ৮০০x৮০০ পিক্সেল। পিনটারেস্ট প্রোফাইল - ১৬৫x১৬৫ পিক্সেল। ফিচার্ড ইমেজ - ২২২x১৫০ পিক্সেল। ছোট আইকন - ৫০x৫০ পিক্সেল। ফিডের ইমেজের দৈর্ঘ্য - ২৩৬ পিক্সেল। এক্সপ্যান্ড করার পর ইমেজের দৈর্ঘ্য - ৭৩৬ পিক্সেল। গুগল প্লাস প্রোফাইল - ২৫০x২৫০ পিক্সেল। কভার ইমেজ - ১০৮০x৬০৭ পিক্সেল। সর্বোচ্চ আকার ২১২০x১১৯২ পিক্সেল। শেয়ার্ড ইমেজ - দৈর্ঘ্য ৪৯৭ পিক্সেল। লিংকড ইন প্রোফাইল - ২০০x২০০ পিক্সেল। ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ - ১৪০০x৪২৫ পিক্সেল। লিংকড ইন ব্লগ/স্ট্যাটাস আপডেট - ৬৯৮x৪০০ পিক্সেল। যদি আপনার কোন প্রতিষ্ঠানের পেজ থাকে তবে সেক্ষেত্রে, কভার ফটো - সর্বোচ্চ ৯৭৪x৩০০ পিক্সেল। লোগো - সর্বনিম্ন ৩০০x৩০০ পিক্সেল।
রবিবার, ৮ মে, ২০১৬
মার্চ থেকে নতুন স্কেলে বেতন পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা, পাবেন বকেয়াও
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, এই খাতে প্রতি বছর সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা। বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর সংখ্যা এখন ৪ লাখ ৭৮ হাজার। অষ্টম পে-স্কেল ঘোষণার পর থেকেই নানা আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষকরা। জানুয়ারিতে শিক্ষকদের নতুন স্কেলে বেতন ভাতা পাওয়া কথা থাকলেও তা হয়নি। ফেব্রুয়ারিতেও তা অনিশ্চত। তবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, সব কাজ শেষ। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ( মাধ্যমিক) প্রফেসর এলিয়াস হোসেন বলেন, এখন সরকারের একটা গেজেট হবে তাদের কীভাবে দেওয়া হবে এবং কী হারে দেওয়া হবে। এই পরিচালক নিশ্চিত হয়ে বলছেন, মার্চের পর আর বিলম্ব করার কোনো সুযোগ নেই। প্রয়োজন শুধু সরকারি আদেশ। প্রফেসর এলিয়াস হোসেন আরো বলেন, আমাদের কাগজপত্র অর্থ মন্ত্রণালয়ে চলে গেছে ওখান থেকে নির্দেশনা আসলেই আমরা দিয়ে দিবো। বেসরকারি শিক্ষকদের নতুন বেতন কাঠামোতে বাড়ি ভাড়া দ্বিগুন করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে চিকিৎসাভাতাও। মাধ্যমিক শিক্ষার ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
শেষ হচ্ছে গ্রামীণ ফোনের ‘০১৭’ সিরিজ
শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের অ্যাক্টিভ সিমের সংখ্যা ৫ কোটি ৬৩ লাখ। এর আগে আরও চার কোটির বেশি সিম বিক্রি হলেও সেগুলো এখন অ্যাক্টিভ নেই। এমন পরিস্থিতিতে অপারেটরটির ‘০১৭’ সিরিজের ১০ কোটি নম্বর বিক্রির শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। নতুন উদ্যোগ নেওয়া না হলে অপারেটরটি আর মাত্র কয়েক দিন পরে নতুন সিম বিক্রি করতে পারবে না। তথ্য প্রযুক্তির খবর বিষয়ক ওয়েব সাইট টেক শহর জানায়, এ সমস্যা সমাধানে সম্প্রতি গ্রামীণফোন নতুন একটি নম্বরের সিরিজের জন্য টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসিতে আবেদন করেছে। সূত্র জানিয়েছে, অপারেটরটির আগ্রহ ০১২ সিরিজের প্রতি। বর্তমান নম্বর প্ল্যানিং অনুসারে একটি অপারেটর একটি সিরিজের সর্বোচ্চ ১০ কোটি নম্বর বিক্রি করতে পারবে। গ্রামীণফোন তাদের এ সমস্যার কথা প্রথম জানিয়েছিল গত বছরের শুরুর দিকে। তখন নিয়ম ছিল একটি সিম টানা ২৪ মাস বন্ধ না থাকলে সেটি পুনরায় বিক্রি করা যাবে না। অপারেটরটির নম্বর সংক্রান্ত এ সমস্যা সমাধানে গত বছরের শেষ দিকে বিটিআরসি ২৪ মাসকে কমিয়ে ১৫ মাস করে দিয়েছে। ফলে কোনো সিম ১৫ মাস বন্ধ থাকলে সেটি আবার বিটিআরসি’র অনুমোদন সাপেক্ষে বিক্রি করতে পারে তারা। এরপর এ উপায়ে অপারেটরটি বেশ কয়েক লাখ সিম বিক্রির সুযোগ পেলেও পুরনো নম্বরও ফুরিয়ে এসেছে।এ কারণে গ্রামীণফোন নতুন নম্বর সিরিজ চায়। তবে কমিশন বলছে, নতুন নম্বর সিরিজ দেওয়া ছাড়াও সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। বর্তমান সিরিজের সঙ্গে একটি ডিজিট বাড়িয়ে দিয়েই নতুন সিম বিক্রি সম্ভব। সেক্ষেত্রে তাদের নম্বরের ডিজিট ১১ থেকে বেড়ে ১২ হয়ে যাবে। এর আগেও গ্রামীণফোনের জন্য একটি একটি করে দু’বার দুটি ডিজিট বাড়ানো হয়েছিল। পরে সব অপারেটর ১১ ডিজিটে চলে এসেছে। সেক্ষেত্রে গ্রামীণফোন ১২ ডিজিটে গেলে সব অপারেটরকে তখন ১২ ডিজিটে চলে যেতে হবে। বিটিআরসি’র নম্বর প্ল্যানিং অনুসারে বর্তমানে সিটিসেল ব্যবহার করছে ০১১, টেলিটক ০১৫, এয়ারটেল ০১৬, গ্রামীণফোন ০১৭, রবি ০১৮ এবং বাংলালিংক ব্যবহার করছে ০১৯। এর বাইরে ০১২, ০১৩ ও ০১৪ নম্বর সিরিজ খালি রয়েছে। তবে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিটিআরসি নম্বর প্ল্যানিং নিয়ে আরও কাজ করতে চায়। কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, গ্রামীণফোনকে নতুন সিরিজ না দিয়ে বা এক ডিজিট না বাড়িয়েও সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে গ্রামীণফোনের নম্বর ০১৭ দিয়ে শুরুর পরিবর্তে ০৭ দিয়েও শুরু করা যেতে পারে। কর্মকর্তারা বলছেন, বিশ্বের বহু দেশ আছে যেখানে অহেতুক বাংলাদেশের মতো তিনটি ডিজিট নষ্ট করা হয়নি। সব বিষয় পর্যালোচনা শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
শনিবার, ৭ মে, ২০১৬
আপনার পিসির মনিটরের বিভিন্ন সমস্য ও সমাধান ।
উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় মনিটর যদি ঝাপসা দেখা যায় তবে বুঝতে হবে মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেট করা হয়েছে। যদি মনিটরে ছবি খুব বেশী কাঁপাকাঁপি করে বা ঝির ঝির কাঁপে, তবে মনিটরের রিফ্রেস রেট সঠিক আছে কি না তা দেখা দরকার। কম্পিউটারের রিফ্রেশ রেট বৃদ্ধি করে স্ক্রিনের ঝিরঝির কাঁপা দূর করা যায়। অনেক সময় মনিটরে কালো পর্দাও দেখা যেতে পারে। এজন্য- কম্পিউটার চালু করুন অথবা কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় Start উইন্ডো বার্তা দেখানোর সংগে সংগে F8 চেপে Safe Mode-এ কম্পিউটার চালু করুন। এবারStartমেনু থেকেSettings/Control Panel-এ ক্লিক করুন। পর্দায় Control Panel উইন্ডো আসবে। উক্ত উইন্ডো থেকে Display আইকনে ডাবল ক্লিক করুন। এবার DisplayProperties উইন্ডো আসবে। এরপর DisplayProperties উইন্ডোথেকেSettings ট্যাবে ক্লিক করে Advanced বাটনে ক্লিক করুন। এবার Plug and Play Monitor ডায়ালগ বক্স আসবে। উক্ত ডায়ালগ বক্সের Monitor ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার MonitorSettings-এর Screen refresh rate: বক্সের ড্রপ ডাউন এ্যারোতে ক্লিক করে সঠিক refresh rate ঠিক করে OK করুন। নোট: ১.১ উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় মনিটর যদি ঝাপসা দেখায় তবে বুঝতে হবে যেমনিটরেররিফ্রেশরেটভুলভাবেসেট করা হয়েছে।এটি ঠিক করতে কম্পিউটারচালুহওয়ার সময়স্টার্টিংউইন্ডোজ(StartingWindows)মেসেজ দেখানোর সংগে সংগে F8 চেপে Safe Mode-এ কম্পিউটার স্টার্ট করুন এবং উপরের বর্ণিত নিয়মে Refresh Rate ঠিক করুন। পুরানো মনিটর হলে রিফ্রেশ রেট হিসাবে ৬০ Hz এবং নতুন মনিটর হলে ৭৫ Hz থেকে ৮০ Hz সিলেক্ট করুন।এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।ম্যানুয়ালদেখেসঠিকRefresh Rate নিশ্চিত হয়ে Screen refresh rate: বক্সের ড্রপ ডাউন এ্যারোতে ক্লিক করে সঠিক refresh rate নির্বাচন করুন। 1.2 এ ছাড়া মনিটরের Refresh Rate বাড়ানোর পর মনিটর ডিসপ্লের সঙ্গে সঙ্গে যদি অস্বাভাবিক কোনোশব্দও শুনতেপান তবেদেরি নাকরে যত তাড়াতাড়িসম্ভব রিফ্রেশরেট পরিবর্তন করুন বা মনিটর বন্ধ করে দিন এবং আপনার কম্পিউ টার বিক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। 1.3 উইন্ডোজ চালু হচ্ছে না অথচ কম্পিউটার এবং মনিটরে সুইচ অন করার সঙ্গে সঙ্গে ডিসপ্লে ঝাপসা দেখাচ্ছে সে ক্ষেত্রে অন্য মনিটর ব্যবহার করে দেখতে পারেন। যদি তারপরেও সমস্যা থেকে যায় তাহলে গ্রাফিক্স কার্ড পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। ২. কম্পিউটারেররিফ্রেশ রেটবৃদ্ধিকরেস্ক্রিনের ঝির ঝির কাঁাপা দূর কনা যায়। রিফ্রেশ রেট ৭৫ হার্টস সিলেক্ট করেকরার পর স্ক্রিন মুহুর্তের জন্য কালো হয়ে যেতে পারে যা পর মুহুর্তেই মনিটর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঠিক হয়ে যাবে। নতুন রিফ্রেশ রেট পছন্দ হলে OK করুন। তবে অত্যধিক মাত্রায় রিফ্রেশ রেট মনিটরের ক্ষতি করতে পারে। মনিটরের ম্যানুয়েলথেকেআপনার মনিটরসর্বোচ্চকত রিফ্রেশরেট সাপোর্ট করেতা দেখে নিন। 3.1 যাদ মনিটরে ছবিবেশী কাঁাপা কাঁপিকরেতবেমনিটরের রিফ্রেশরেটসঠিক আছে কি না তা দেখুন।মনিটরের ম্যানুয়েলদেখেসঠিক Refresh Rate নিশ্চিত হয়ে সেটি বসান। যদি ম্যানুয়েল হারিয়ে ফেলে থাকেন তবে Refresh Rate ৬০ মেগা হার্টজে রাখুন। 3.2 এ ভাবে সমস্যার সমাধান না হলেমনিটরের কাছাকাছি কোন চৌম্বকীয় তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কোন যন্ত্র যেমন- স্পিকার, মোবাইল ফোন ইত্যাদি আছে কি না তা পরীক্ষা করুন এবং থাকলে সেগুলো সরিয়ে দেখুন সমাধান হয় কিনা। ৪. অনেক সময় দেখা যায় কারো কারো কম্পিউটার স্ক্রিন খুব বেশী কাঁপতে থাকে যা চোখের জন্য বেশ যন্ত্রণাদায়ক এবং ক্ষতিকারকও। রিফ্রেশ রেট ৭৫ থেকে ৮৫-র মধ্যে নিয়ে এসে আপনি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তবে রিফ্রেশ রেট পরিবর্তেনের আগে আপনার মনিটর ঐ রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে কিনা ম্যানুয়েল থেকে দেখে নিন। ৫. সুইচ টিপে কম্পিউটার চালু করার পর মনিটরে কিছুই না এসে কেবল কালো পর্দা দেখা যেতে পারে। অনেক কারণেই ব্যবহারকারীএধরনেরসমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। তবে আগে কাজ করে সঠিক নিয়মে কম্পিউটার বন্ধ করেছেন এমন ক্ষেত্রে এ সমস্যা দেখা দিলে মনে করা যেতে পারে যে, কম্পিউটারের মেমোরি অর্থাৎ র্যাম কাজ করছে না। এ ক্ষেত্রে শুরুতে ব্যবহারকারীকে র্যামের স্লট পরিব- র্তন করে দেখতে হবে। অর্থাৎ কেসিং খুলে র্যামটিকে তার স্লট থেকে খুলে নিয়ে পাশের স্লটটিতে লাগিয়ে দেখতে হবে। মনিটরে রঙের ছোপছোপ দাগ যদি আপনার মনিটরে রঙের ছোপ ছোপ দাগ পড়ে কিংবা ছোট ছোট ফোটা পড়ে, তবে- মনিটরের মেনু বা মনিটরের কন্টোলার সফটওয়্যার থেকে Degauss অপশন সিলেক্ট করে ঠিক করার চেষ্টা চালাতে পারেন। অনেকসময়ইএইসমস্যাহয়মূলতStraymagneticinterference এর কারনে। এই সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায় হলো Degauss ফাংশন। এরপরও যদি সমস্যা থেকে যায় তবে ভালো কোন সার্ভিস সেন্টারে যোগাযোগ করুন। মনিটরের রেজুলেশন ঠিক করা মনিটর কোন রেজুলেশনে ছবি দেখাবে সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। উইন্ডোজের ডিসপ্লে প্রোপার্টিজের সেটিংস ট্যাবথেকে রেজুলেশন ও রঙ (যেমন-৬৪০ х ৪৮০ , ৮০০ х ৬০০,১০২৪ х ৭৬৮ এবং ১৬ bit বা ৩২ bit কালার) সিলেক্ট করা যায়। এখান থেকে শুধু সীমিত সংখ্যক রেজুলেশন সিলেক্ট করা যায়। তবে আপনি চাইলে এখানে তালিকাবদ্ধ বিভিন্ন রকম রেজুলেশনের বাহিরেও বিভিন্ন রকম রেজুলেশন ও কালার ডেপথ সিলেক্ট করতে পারেন। কম্পিউটার যত বেশী উচ্চ রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করবে, ডিসপ্লেও তত বেশী ফ্লিকার মুক্ত হবে। আপনি যদি রিফ্রেশ রেট কনফিগার করতে চান তাহলে- প্রথমেই Start>Settings/Control Panel-এ ক্লিক করুন। পর্দায় Control Panel উইন্ডো আসবে। উক্ত উইন্ডোর Display আইকনে ক্লিক করুন। এবার DisplayProperties উইন্ডো আসবে। উক্ত উইন্ডোর Settings ট্যাবে ক্লিক করে Advanced বাটনে ক্লিক করুন। এবার Plug and Play Monitor উইন্ডো আসবে। উক্ত উইন্ডোর Adapter ট্যাবে ক্লিক করে List AllModes বাটনে ক্লিক করুন। এবার List AllModes উইন্ডো আসবে। উক্ত উইন্ডোর List of valid modes এর বক্সে গ্রাফিক্স কার্ড ও মনিটরের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রেজুলেশন ও কালার ডেপথ রিফ্রেশ রেটসহ কিছু অপশন দেওয়া আছে। উক্ত অপশন থেকে পছন্দমতো সঠিক রিফ্রেশ রেট সিলেক্ট করে OK করুন। অত:পর Apply এবং OK করুন। সমস্যা যখন দেখাদেখির কম্পিউটারেকাজকরার সময় মনিটরেদেখাদেখিঅর্থাৎডিসপ্লের সমস্যা হলে বিভিন্নরকমেরবার্তা আসে।যেমন Displayproblem,This program cannot continue. এ অবস্থায়- উইন্ডোজ এক্সপির ক্ষেত্রে Alt কি চেপে My Computer-এ ডাবল ক্লিক করুন। এবার System Properties ডায়ালগ বক্স আসবে। উক্ত ডায়ালগবক্সেরHardware ট্যাবে ক্লিক করে Device Mana- ger বাটনে ক্লিক করুন। এবার Device Manager ডায়ালগ বক্স আসবে। উক্ত ডায়ালগ বক্সের Display Adaptors-এ ডাবল ক্লিক করে AGP কার্ডের নামের উপর আবার ডাবল ক্লিক করুন। এবারপ্রদর্শিতউইন্ডোরGeneralট্যাবেক্লিক করলেDevice status তালিকা উইন্ডোজের সমস্যা চিহ্নিত করবে। এবার Resources ট্যাবে ক্লিক করে Use automatic settings বক্স সিলেক্ট করুন। কম্পিউটার পুনরায় চালু (রিস্টার্ট) করার পরও সমস্যাটি ঠিক না হলে Properties-এর Settings ট্যাবের Troubleshooting বাটনে ক্লিক করে update Drivers-এ ক্লিক করুন। এবারে এজিপি বা গ্রাফিক্স কার্ডের ড্রাইভার সফটওয়্যার আবার ইনস্টল করে নিন। স্ক্রিনের মান উন্নত করা যারা ফ্ল্যাট স্ক্রিন মনিটর ব্যবহার করেন তাদের জন্য এই ক্লিয়ার টাইপ ফাংশনটি অত্যন্ত উপকারী হবে। Start>Run অপশনে গিয়েRegedit.exe টাইপ করে রেজিস্ট্রিএডিটর উইন্ডোটি খুলুন। HKEY_USERS>Control Panel> Desktopফোল্ডারটি খুলুন। Font Smoothing অপশনটিতে ডাবল ক্লিক করুন এবং Valuedata-এর জায়গায় ২ টাইপ করুন। Font Smoothing Type অপশনটির জন্য একই কাজ করুন। এবার পরিবর্তনটি নিজেই যাচাই করুন এবং রিফ্রেশ রেট ঠিক করুন । যদি এতে কাজ না হয় তবে র্যামটিকে পরিবর্তন করতে হবে। মনিটর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ না হওয়া পাওয়ার সেভিং নামে বিদুৎ সাশ্রয়ী একটি বৈশিষ্ট্য কম্পিউটার মনিটরে থাকে। যা অনেক সময়ই বিরক্তির কারন হয়ে দাড়ায়, যদি তা সক্রিয় করা থাকে। অনেকসময়দেখাযায়,কোনোসিনেমা/ভিডিওদেখছেন,হঠাৎকম্পিউটার মনিটর বন্ধ হয়ে গেল। তখন মাউস বা কী-বোর্ড নাড়াচাড়া করলে তা পুনরায় চালু হয়ে যায়।এরকারণহলোস্বয়ংক্রিয়ভাবেমনিটরবন্ধকরেদেওয়ারঅপশনটি সক্রিয় অবস্থায় আছে। এটি বন্ধ করতে- ডেস্কটপে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties ক্লিক করুন। পর্দায় Display Properties ডায়ালগ বক্স আসবে। উক্ত ডায়ালগ বক্সের Screen Saver ট্যাবে ক্লিক করে Monitor Power-এর নিচে Power…. বাটনে ক্লিক করুন। পর্দায় Power OptionsProperties উইন্ডো আসবে। অথবা প্রথমেইStartমেনুথেকেSettings/ControlPanel-এক্লিককরুন। পর্দায় Control Panel উইন্ডো আসবে। এবার উক্ত উইন্ডোর PowerOption আইকনে ডাবল ক্লিক করুন। পর্দায় PowerOption Properties উইন্ডো আসবে। এরপরউক্তউইন্ডোরTurnoffMonitor:বক্সের ড্রপডাউন এ্যারো তে ক্লি করে Never সিলেক্ট করুন। এবার Apply এবং OKকরুন। নোট: যদি অপশনটি সক্রিয় রাখতে চান তাহলে Turn off Monitor: বক্সের ড্রপ ডাউন এ্যারোতে ক্লিক করে সময় নির্ধারণ করে দিন। এবার Apply এবং OKকরুন। এরপর দেখুন, নির্ধারিত সময়ের পর মনিটর স্বযংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে গিয়াছে। বিদ্যুৎখরচকমানোএবংপরিবেশদূষণরোধে নির্ধারিত সময়ের পর কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হওয়া আমরা জানি কম্পিউটারের সিপিইউ, মনিটর, পিন্টার, স্ক্যানার ইত্যাদি বিদ্যুতের মাধ্যমে চলে যার মধ্যে সর্বক্ষণিক মনিটর ও সিপিইউতে বিদ্যুত রাখার প্রয়োজন হয়। এ দু’টির মধ্যে মনিটর সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়। কিন্তু মনিটর যতক্ষণ চালু থাকে ততক্ষণ এর সার্কিটগুলো উত্তপ্ত হয়ে মৃদুগতিতে পরিবেশ দূষন করে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অনেক সময় কম্পিউটারে কাজ করতে করতে অফিসে বা বাসায় কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে যদি অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ি, হয়ত কিছুক্ষণের মধ্যে আবার কম্পিউটারের কাজ শুরু করবো। এতে দেখা যায় অযথা বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয় ও পরিবেশ দূষণ হয়। আর যদি কম্পিউটার চালু থাকার কথা মনে না থাকে, তবে তা চলতেই থাকে। এই সমস্যা দূর করার জন্য উইন্ডোজ এক্সপিতে একটি প্রোগ্রাম আছে, যা দিয়ে কাজ না করার সময় বিদ্যুৎ অপচয়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়াসহ পরিবেশ দূষণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এটা করার জন্য- My Computer-এ ডাবল ক্লিক করে পর্দার বাম পাশে প্রদর্শিত Control Panel-এ ক্লিক করুন অথবা Start হতে Settings/ Control Panel যান। এবার Control Panel উইন্ডো আসবে। উক্ত উইন্ডোর PowerOptions-এ ডাবল ক্লিক করুন। Power OptionsProperties ডায়ালগ বক্স আসবে। উক্ত ডায়ালগ বক্সের Power Schemes ট্যাবে ক্লিক করে Power Schemes: বক্সের ড্রপ ডাউন এ্যারোতে ক্লিক করে Home/Office Desk সিলেক্ট করুন। এবার Settings for Always on power scheme-এর নিচে Turn offMonitor এবং Turn off hard disk এর ড্রপ ডাউন এ্যারো ক্লিককরে যে সময়ের পর কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করতে চান সেই সময় নির্ধারন করে দিয়ে OK করুন। । উপরোক্ত সেটিংয়ের পরে পরীক্ষার জন্য কম্পিউটারে পূর্বের সিলেক্টকৃত সময় পর্যন্ত কাজ না করলে দেখা যাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মনিটর ও হার্ড ডিস্কের পাওয়ার বন্ধ হয়েছে। এ রকম সেটিং করার ফলে মনিটর ও হার্ডডিস্কের পাওয়ার অফ হলে তা আবার কার্যকর করতে কী-বোর্ডের যে কোনো কী বা মাউস নাড়া দিলে পূর্বের কার্যরত স্থানে ফিরে আসবে। উল্লেখ্য, Power Management সেটিং কার্যকর করার জন্য ও কমান্ড প্রয়োগের পূর্বে Control Panel-এর অধীনে Display-এ ক্লিক করেDisplayProperties-এ ক্লিক করে এর অধীনের Setting ট্যাবে ক্লিক করেAdvanced এ ক্লিক করতে হবে। পর্দায় Plug and Play Monitor উইন্ডো আসবে। উক্ত উইন্ডোর Monitor ট্যাবে ক্লিক করে monitor is Energy Start Compl- iant-এর বাম পাশের বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে দিতে হবে। এবার Apply এবং OK ক্লিক করতে হবে। কম্পিউটারের কালার সেটিংস কম্পিউটারের কালার কম্পিউটার ভেদে বিভিন্ন রকম হয়। কোন কোন কম্পিউটা-রের ডেস্কটপে চমৎকার কালান থাকে আবার কতকগুলো ফ্যাকাশে কালার থাকে। উইন্ডোজ কিভাবে কালার প্রদর্শন করে তা নির্ভর করে কালার প্যালেট সেটিংসের ওপর ( অবশ্যই হার্ডওয়্যারও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ)। 1. ডেস্কটপে রাইট বাটন ক্লিক করুন। প্রোপাটি©র্জ গিয়ে সেটিংস ট্যাবে ক্লিক করুন। 2. কালারের অধীনে ড্রপডাউন অ্যারো ক্লিক করলে অনেকগুলো কালারের অপশন পাওয়া যাবে। এগুলো হচ্ছে ১৬ কালার, ২৫৬ কালার, হাই কালার ( ১৬ বিট ) এবং ট্রু কালার ( ৩২ বিট )। 3. প্রতিটি কালারই একটি ভিন্ন কালার প্যালেট প্রদর্শন করে। সর্বোচ্চ কার্যদক্ষতার জন্য ১৬ কালারের অপশন রয়েছে। 4. উইন্ডোজ যতকম কালার ব্যবহার করবে তত দ্রুতই ইমেজ স্ক্রীনে প্রদর্শিত হবে। ( যদি ড্রপডাউন বক্সে শুধুমাত্র ১৬ কালার থাকে তাহলে ইমেজগুলো দাগদাগ বা চিত্র বিচিত্র হবে)। 5. ২৫৬ কালারে চমৎকার কার্য্যদক্ষতা এবং ভালো ইমেজ কোয়ালিটি পাওয়া যায়। 6. খুব ভালো ইমেজ কোয়ালিটির জন্য হাই কোয়ালিটি কালার ব্যবহারের প্রয়োজন। তবে এ অপশনে বাস্তবিক কালার পাওয়া গেলেও কার্যদক্ষতা বা পারফরমেন্স হবে ধীর গতির। 7 ট্রু কালার ১৬.৮ মিলিয়ন কালার প্রদর্শন করে থাকে। যেসব ব্যবহার- কারী গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করে থাকেন তাদের জন্য ট্রু কালার বেশ কার্যকর। এসমস্ত পার্থক্য মাথায় রেখে ব্যবহারকারীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী কালার সেট করতে পারেন। 8. তবে পছন্দ করা কালার সেটিংয়ে যদি কোন ব্যবহারকারী সন্তুষ্ট না হন তাহলে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে ব্যবহারকারীরা পুনরায় উইন্ডোজের কালার সেটিংস প্যালেটে পরিবর্তন করতে পারবেন।
Rimon
জেনে নিন কি ভাবে আপনারপিসির ওয়েলকাম স্ক্রীনপরিবর্তন করবেন…
সবাইকে আমার সালাম এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের পোস্ট সুরু করতে যাচ্ছি। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজকে কি নিয়ে আলোচনা করবো তা হয়তো নাম দেখেই বুঝে গেছেন। আমরা যারা পিসি চালাই তাদের বেশির ভাগ মানুষেই উইন্ডোজ চালাই। তাই সবাই এই উইন্ডোজ এর সাথে ভালো ভাবে পরিচিত। আমাদের পিসি যখন ওপেন করি তখন উইন্ডোজ এর ডিফল্ট টেক্সট দেখতে পাই ওয়েলকাম। আপনি চাইলে এটি পরিবর্তন করে আপনার নাম বা যেকোনো কিছু দিতে পারেন। কি করে পরিবর্তন করবেন আজকে সেটাই নিয়ে আলোচনা করবো। প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে রান এ জান। এরপর Regedit টাইপ করে এন্টার প্রেস করুন। এবার HKEY_LOCAL_MACHINE > SOFTWARE > Microsoft > Windows NT > CurrentVersion > Winlogon এ ক্লিক করুন। এবার ডান দিক থেকে LegalNoticeCaption এ ডাবল ক্লিক করুন। মেসেজ এর Caption যা হবে তা টাইপ করুন। এবার ডান দিক থেকে LegalNoticeText এ ডাবল ক্লিক করুন। আপনি কি মেসেজ দিতে চান তা এর মধ্যে টাইপ করুন।
মাউসের রাইট বাটনে Copy to , Move to নামে দুটি অপশন যোগ করুন।
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদেরকে শিখাব কি ভাবে কম্পিউটার দিয়ে সহজে ফাইল কপি ও কাট করবেন। বেপারটা বুঝ্তে পারেন নাইতো। বুঝায়া বলতাছি। অনেক সময় আমাদের এমন কিছু ফাইল খুব দ্রুত কপি বা কাট করে অন্য ড্রাইভে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। ফাইলে কপি করে আবার নির্দ্রিষ্ট ড্রাইভে গিয়ে পেষ্ট করা অনেক সময় ঝামেলাদায়ক হয়ে যায়। যদি মাউসের রাইট বাটনে Copy to, Move to নামে দুটি অপশন যোগ করা যায়, তাহলে যেকোনো ফাইল কপি ও মুভ করা যাবে সহজে। এবার দেখুন কিভাবে Copy To, Move to তৈরি করবেন। প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে run-গিয়ে টাইপ করুন regedit এবং এন্টার চাপুন। এখন এই দিরেক্টরিটি খুজে বের করুন HKEY_CLASSES_ROOT>AllfileSystemObjecs>shelles>ContextMenuHandeles এখন এখানে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে দুটি নতুন Key বানান, একটার নামে দিন Copy To, আরেকটার নাম দিন Move To । এখন Default- এ ডাবল ক্লিক করে Copy To এর জন্য লিখুনঃ {C2FBB630-2971-11d1-A18C-00C04FD75D13} এবং Move To এর জন্য লিখুনঃ {C2FBB631-2971-11d1-A18C-00C04FD75D13} ঊপরের ভেলুগুলো ঠিক যেভাবে আছে, সেভাবে দেবেন। এবার বের হয়ে যেকোনো ফাইলে রাইট বাটনে ক্লিক করলে দেখতে পাবেন Copy To ও Move to অপশন দেখতে পাবেন।
via Rimon
F5 অথবা রিফ্রেশ কি আসলেই কাজ করে ?
কম্পিউটারটা মাঝে মাঝেই স্লো হয়ে যাচ্ছে। কখন থেকে মাউস কার্সারটা গোল গোল ঘুরে চলেছে। কিছু একটা ডাউনলোড করতে গেলেই লোডিং লোডিং দেখাচ্ছে। কিছুতেই নতুন কিছু আপলোড হচ্ছে না। মাউস দিয়ে ক্লিক করলে কাজ হচ্ছে না। কম্পিউটার হ্যাং খেয়ে যাচ্ছে। এমন সময় আমরা আস্তে করে করে কয়েকবার F5 বাটনটা প্রেস করে দিই। কিংবা রাইট ক্লিক করে রিফ্রেশ অপশনে বার কয়েক ক্লিক করে নিই। কম্পিউটারে হাতে খড়ি হওয়ার পরই কে কবে যেন এটা করতে শিখিয়ে দিয়েছিল, তা আজ আর কারও মনে নেই। বলে দিয়েছিল এটা করলে নাকি কম্পিউটার রিফ্রেশ হয়ে যায়। কম্পিউটার চলার গতি দ্রুত হয়। আর কম্পিউটারের কাজগুলোও আবার ঠিকঠাক চলতে শুরু করে। এটা আমাদের প্রতিদিনের অভ্যাস। কিন্তু কেন রিফ্রেশ করা হয়, কিংবা রিফ্রেশ করলে আদৌ কোনো কাজ হয় কিনা তা কি জানা আছে? মনে করা হয়, F5 বাটন প্রেস করলে বা রিফ্রেশ করলে কম্পিউটারের RAM ক্লিয়ার হয়ে যায়। কম্পিউটারে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অনেক প্রোগ্রাম বন্ধ হয়ে যায়। অদরকারী প্রোগ্রামগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলেই কম্পিউটার আবার দ্রুতগতিতে চলতে থাকে। এই ধারণা নিয়েই আমরা কম্পিউটার না চললেই রিফ্রেশ করি। আসলে রিফ্রেশ করলে ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরি ক্লিয়ার হয়ে যায়। এর থেকে বেশি কোনো কাজই করে না F5 বাটন বা রিফ্রেশ। তাই এবার থেকে কম্পিউটার কাজ করতে সময় নিলে অযথা রিফ্রেশ না করে একটু ধৈর্য ধরুন। তাহলেই আবার আপনার কম্পিউটারটি স্বাভাবিকভাবে চলতে শুরু করবে। অথবা অন্য কোন পন্থা অবলম্বন করুন।
via Rimon
বৃহস্পতিবার, ৫ মে, ২০১৬
pc tricks by Rimon
Win+Home: Desktop-এ একসাথে যখন একাধিক Window থাকে খোলা তখন উপরের Active window বাদে সকল Window Task bar এ Minimize করার জন্য Win+Home একসাথে চাপুন। Alt+P: Windows Explore করে যখন আপনি কোন ফাইল খুজতে থাকি তখন ডান পাশে ফাইল এর প্রিভিও দেখার জন্য এই HOT KEY ব্যবহৃত হয়। এটা খুবই প্রয়োজনীয় একটি HOT KEY. Win+(+): Zoom in করার জন্য। Win+(-): Zoom out করার জন্য। Win+L: পাসওয়ার্ড দেয়া থাকলে লক হয়ে যাবে এবং একাধিক ইউজার তৈরি করা থাকলে এক ইউজার থেকে আরেক ইউজারে যাওয়ার জন্য। Win+F: ফাইল বা ফোল্ডার সার্চ করার জন্য। Win+Tab: Active windows গুলো সুন্দরভাবে গ্রাফিক্যালি Xplore করে প্রয়োজনীয়টা সামনে আনার জন্য। Alt+Tab: Active window গুলো Xplore করে প্রয়োজনীয়টা সামনে আনার জন্য। Win+D: Active সকল Window গুলোকে একসাথে Taskbar এ মিনিমাইজ এবং রি-স্টোর করার জন্য। Ctrl+Shift+Esc: Task Manager সরাসরি Open করার জন্য। Win+Space: খোলা থাকা window একসাথে সচ্ছ হয়ে desktop দেখা যাবে। Win+Up arrow: Active, কিন্তু ছোট করে রাখা window কে Maximize করার জন্য। Shift+Win+Up arrow: Active, কিন্তু ছোট করে রাখা window কে Vertically Maximize করার জন্য। Win+Down arrow: Active window Task bar এ Minimize করার জন্য। Win+Left/Right arrows: একটি Active window মনিটরের ডানে বামে মাঝে নেয়ার জন্য। Win+T: Taskbar এ থাকা item গুলো Focus করে দেখার জন্য। Ctrl+Shift+N: নতুন ফোল্ডার তৈরি করার জন্য।
১ মিনিটে দেখে নিন এ পর্যন্ত আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে কে কে ভিজিট করেছে।
কীভাবে দেখবেন কে কে আপনার ফেসবুক প্রোফাইল সবচেয়ে বেশি ভিজিট করেছে (অ্যাপ ছাড়া)। আমরা অনেক সময় কৌতুহল বশত জানতে চাই যে, কে কে আমার প্রোফাইল ভিজিট করলো? আবার অনেক সময় জানতে ইচ্ছে করে “ ফেসবুকের কোন বন্ধুটা চুপটি করে এসে কে আমার এফবি প্রোফাইল সবচেয়ে বেশি উলটে পালটে ঘুরে ঘুরে দেখেছে।” সামান্য কিছু পদ্ধতিতে দেখুন কিভাবে মেটাবেন আপনার কৌতুহল। ১) প্রথমে আপনার ফেসবুক একাউন্ট এ লগিন করুন। ২) তারপর আপনার প্রোফাইল পেজে প্রবেশ করুন। ৩) এখন কিবোর্ড থেকে Ctrl+U প্রেস করুন একসাথে, আপনি আপনার প্রফাইল পেজের সোর্স কোড দেখতে পাবেন। ৪) এখন কিবোর্ড থেকে CTRL+F প্রেস করুন। যে বক্স আসবে অর্থাৎ একটা সার্চ বক্স আসবে সেখানে এই লিখাটা দিন তারপর সার্চ করুন {“list”: ৫) {“list”: এখানে অনেকগুলি আইডি নাম্বার থাকবে কমা দিয়ে। প্রথমে যেই আইডিটা থাকবে সেইটা হচ্ছে যে সবচেয়ে বেশি আপনার প্রোফাইল ভিজিট করেছে তার আইডি। ৬) এখন চিন্তা করছেন নাম না দেখা গেলে আইডি নাম্বার দিয়ে কি করবেন? তো যেকোন একটা আইদি নাম্বার কপি করেন তারপর নতুন একটা টেব খুলে এইভাবে দিয়ে এন্টার প্রেস করুন দেখেন কীভাবে ঐ ব্যক্তির পুরা প্রোফাইল চলে আসতেছে। http:// www.facebook.com/ Facebook_Profile_Idএখানে Facebook Profile Id এর জায়গায় আপনার কাক্ষিত আইডি টি দিবেন। উদাহরণঃ http:// www.facebook com/1234567 বিঃদ্রঃ যদি {“list”: দিয়ে সার্চ দেওয়ার পর লম্বা লিস্ট শো করে তাহলে উপরে View থেকে wrap Long Lines এ টিক দিবেন
মঙ্গলবার, ৩ মে, ২০১৬
শ্রেষ্ঠ কম্পিউটার টিপস ও ট্রিকস যা প্রত্যেকেরই জানা দরকার!! -Rimon
কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের অধিকাংশই তাদের কম্পিউটারের দক্ষতা উন্নত করার সর্বশেষ টিপস এবং ট্রিকস জানতে চান। কিছু ব্যবহারকারী আগ্রহ দেখান না কিন্তু এই সাধারণ ট্রিকস প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য খুবই সহায়ক। এই কৌশলগুলি আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করবেনা শুধুমাত্র নীচের টিপস ও ট্রিকস অনুসরণ করতে হবে। God Mode: এটি উইন্ডোজ হিডেন ফোল্ডার, গড মোড ফোল্ডার আপনাকে ফোল্ডারের মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীভূত নিয়ন্ত্রণ প্যানেল দেয় যেখান থেকে অপারেটিং সিস্টেম সেটিংস এবং VPN সেটিংস, ডেস্কটপ ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে সবকিছু অপটিমাইজ করতে পারেন। এই ফোল্ডার তৈরি করতে নতুন একটি ফোল্ডার তৈরি করে রিনেম করতে হবে God Mode.{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C} এটি দিয়ে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোল্ডার এর কন্ট্রোল প্যানেল আইকন পরিবর্তন করবে। এখন আপনি আপনার উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর যেকোন সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন। Problems Step Recorder: সিস্টেম এরর রেকর্ড করার একটি হ্যান্ডি টুল হল স্টেপ রেকর্ডার। কোন সমস্যা হলে কারিগরি সহায়কের সঙ্গে পরামর্শ দরকার হলে প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার আপনার সমস্যার রেকর্ড রাখবে পিসিতে। সাহায্যের জন্য সকল সমস্যার স্ক্রিনশট রাখে এটি। সমস্যা সমাধানের জন্য সাহায্যকারী ব্যক্তির কাছে তথ্য পাঠাতে সাহায্য করবে এটি। প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার ব্যবহার করতে উইন্ডোজ বাটনে ক্লিক করে run টাইপ করুন রান বক্স ওপেন হলে psr টাইপ করতে হবে এবং ok বাটনে ক্লিক করতে হবে। এবার প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার ব্যবহার করতে পারবেন। সর্বাধিক পরিচিত কি-বোর্ড শর্টকাট: পিসি সহজে চালানোর জন্য ব্যবহারকারীকে বেশী বেশী কি-বোর্ড শর্টকাট জানা দরকার। এখানে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য কিছু আবশ্যক পরিচিত কীবোর্ড শর্টকাট দেয়া হল স্ক্রিনশট নিতে Alt + print screen key শুধুমাত্র একটিভ উইন্ডো ক্লিপবোর্ডে কপি করে। Alt + Tab চলমান প্রোগ্রামকে সার্কেল করে। চলমান কোন প্রোগ্রাম কাজ না করলে Alt + Ctrl + Delete কী প্রোগ্রাম টাস্ক ম্যনেজারের মাধ্যমে বন্ধ করতে সাহায্য করে। সরাসরি টাস্ক ম্যানেজার কাজ করতে চাইলে Ctrl + Shift + Esc। Windows + D সব উইন্ডো মিনিমাইজ করতে ব্যবহার করা হয়। সিস্টেম ইনফরমেশন দেখতে Window + Pause/ Break সেকেন্ড ডিসপ্লে অথবা প্রজেক্টর সেট করতে Windows + P ব্যবহার করতে হবে। ফাইল নেম পরিবর্তন করতে আমরা রাইট ক্লিক করি কিন্তু F2 বাটন চেপে এই কাজ সরাসরি করা যায়। Windows + L অন্য প্রোগ্রামের বিরক্তি থেকে বাঁচতে। Run Programs On Infected Pc: ভাইরাসের কারণে কোন প্রোগ্রাম চালু না হলে নাম পরিবর্তন করে .exe দিলে চালু করা যাবে। Private Browsing Window: ব্রাউজারে আপনি কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করছেন তা গোপন করতে চাইলে Ctrl + Shift + N নতুন প্রাইভেট উইন্ডো গুগল ক্রোম ব্রাউজারের জন্য। Ctrl + Shift + P প্রাইভেট উইন্ডো মোজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারের জন্য।
(Rimon_Miah☆]