রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০১৬
downlode PC screen recoding apps
Audials One 2016.exe (pc apps)
বৃহস্পতিবার, ২৪ মার্চ, ২০১৬
Windows 7 এর মজার কিছু দেখাব যা আপনি হয়ত জানতেন না !! #Rimon
অনেকদিন হল টিপস- ট্রিকস নিয়ে কোন টিউন করি না । আজকে আপনাদের সামনে কিছু চরম ট্রিক তুলে ধরব যা অধিকাংশ Win-7 user-ই জানেন না । নিন তাহলে চমক শুরু করি… Snipping Tool আপনি কি দিয়ে Screenshot নেন ?? নিশ্চয়ই LightShot বা FireShot বা অন্য কোন সফটওয়্যার ? কিন্তু আপনি কি জানেন এই কাজের জন্য চমৎকার একটা জিনিস আপনার পিসিতেই লুকানো আছে ?? Start Menu -তে গিয়ে সার্চবারে লিখুন Snipping Tool . আর মজা দেখুন… Control Panel-এ বারবার ঢুকতে কষ্ট হয় ? দেখুন তো এটা পছন্দ কি না ! যদি পছন্দ হয়, তবে শুরু করুন… Taskbar -এ রাইট ক্লিক করে Properties -এ ঢুকুন । এরপর, Start Menu-তে ঢুকে Customize-এ ঢুকুন । তারপর চিত্রের মত করুন । ব্যস, OK করে বেরিয়ে আসুন । চাইলে ব্রাউজার ছাড়াই ইন্টারনেট ঘুরাতে পারি !! কি বিশ্বাস হচ্ছে না ?? তাইলে দেখেন… Taskbar -এ ক্লিক করে Toolbars -এর ওপর মাউস রেখে Address -এ ক্লিক করুন… তারপর ??? দেখুন… এইটা সরিয়ে ফেলতে একইভাবে Address থেকে টিক তুলে দিন । আপনি কি জানেন, আপনার পিসিতে পাঁচটা Theme লুকান আছে ?? My Computer-এ ঢুকুন । এবার Organize-এ ক্লিক করে Folder & Search Option-এ ক্লিক করুন। এরপর, চিত্রে দেখান কাজগুলো করুন… এবার , OK করে apply দিয়ে বেরিয়ে এসে My Computer-এর সার্চবারে লিখুন … C:\Windows\Globalization\MCT তারপর, আপনি সেই লুকানো Theme পেয়ে যাবেন। Microsoft Word আপনার কি Microsoft Word ভাল লাগে না ? আমারও লাগে না । ভাল না লাগলেও কি আমাকে এটা ইউজ করতে হবে ?? না, কখনই না !!! Start Menu -তে সার্চ করুন Word Pad. আর এই Word Pad দিয়েই আপনি MS Word -এর Document খুলতে পারবেন ! বন্ধুদের জ্বালায় অবস্থা খারাপ ?? বন্ধুরা কি কম্পিউটার নিয়ে কাড়াকাড়ি করে ? তা করুক, কিন্তু আপনার মুল্যবান ডাটা হারিয়ে যাওয়ার ভয় নেই তো !!! কম্পিউটার নষ্ট হয়ে যেতে পারে না তো ? যাই হোক, আপনাকে আর চিন্তা করতে হবে না। Run Command-এ যান (win key + R) এরপর লিখুন PSR এবং এন্টার দিন । এবার কম্পিউটারে যা যা করা হবে সবকিছুই Record হতে থাকবে । এতে করে আপনার কম্পিউটারের কিছু হলে আপনি কি করে কি হল তা ধরতে পারবেন এবং সমাধান করা সহজ হবে । আজ আর নয় । কেমন লাগলো তা কমেন্ট করবেন । আর একটা কথা, আপনারা আমাকে অনেক উৎসাহিত করছেন । এজন্য আপনাদের সবাইকে আমার প্রাণ থেকে শুভেচ্ছা ।
এবার জেনে নিন, সেরা ২০ টি কম্পিউটার বাংলা টিপস / ট্রিক্স এবং হয়ে উঠুন কম্পিউটার গুরু ! ! !#Rimon
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভাল আছেন, আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। পরিক্ষা ও লেখাপড়া নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে অনেক দিন টিউন করা হয় না , তাই আজ আপনাদের জন্য এক দারুন উপহার নিয়ে এলাম। সেরা ২০ টি কম্পিউটার টিপস ট্রিক্স বাংলায়↓ কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬1▬Computer tips & tricks bangla পেনড্রাইভ/মেমোরী কার্ডে লুকানো থাকা ফাইল উদ্ধার করার জন্য search option গিয়ে “.” শুধু ডট লিখে search দিন। সব ফাইল চলে আসবে। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬কম্পিউটার হয়ে যাক আরও গতিশীল▬Computer tips & tricks bangla GO “ RUN “ – tree লিখে এন্টার করুন। GO “ RUN “ – prefetch লিখে এন্টার করুন।( একটা নতুন উইন্ডো আসবে সব ফোল্ডার এবং ফাইল ডিলিট করুন। GO “ RUN “ – temp লিখে এন্টার করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন। GO “ RUN “ – %temp% লিখে এন্টার করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন। প্রতিটা ড্রাইভের উপর মাউসের রাইট বাটুন ক্লিক করুন তারপুর প্রপারট্রিজ এ ক্লিক করুন ডিস্ক ক্লিনআপ এ ক্লিক করুন। আশা করি আপনার কম্পিটার এ অনেক গতি বেড়ে যাবে। পুরাতন কম্পিউটার এর জন্য বেশী কার্যকরী। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬ Computer কেন এবং কিভাবে Hang হয়?▬Computer tips & tricks bangla কম্পিউটারের প্রসেসরের মান বা কাজের তুলনায় স্পীড কম হলে । কম্পিউটার র্যামের তুলনায় বেশী পরিমাণ কাজ করলে।আপনার কম্পিউটার র্যাম এর পরিমাণ কম কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি প্রোগ্রাম চালু করলেন। তাহলে তো হবেই। কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন এবং প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে, বার বার একই সমস্যা হতে পারে যদি বার বার হ্যাং হয় তাহলে Cooling Fan টা check করেন এটা স্পীডে গুরছে কিনা। hard diskএ Bad sector থাকলে বা অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলে। অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি থাকলে মানে…কোনো সিস্টেম ফাইল file delete হয়ে যাওয়াকে বুঝায়। যার কারণে কম্পিউটারে সমস্যা হতে পারে। কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে সাধারণত Hang হতে পারে। এই কারণেই কম্পিউটারে বেশী Hangহয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রয়ই হ্যাং হয়। কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করুন। হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালে তখন র্যাম সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায় এবং hang হওয়ার সম্ভনা থকে। কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলে তার জন্য hang হওয়ার সম্ভনা থকে। refresh চাপেন এবং RUN এ গিয়ে tree চাপেন। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬2▬Computer tips & tricks bangla মনিটর এ ছবি দেখা না গেলে- Confirm হন যে মনিটরটি on. এবং brightness control চেক করুন , এবং এটি ঠিক মত সেট হয়েছে কিনা খেয়াল করুন। মনিটর এর সকল কানেকশন চেক করুন এবং surge protector ও surge protector টি চালু কি না চেক করুন। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬3▬Computer tips & tricks bangla কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬4▬Computer tips & tricks bangla Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬5▬Computer tips & tricks bangla প্রতি সপ্তাহ একবার আপনার hard drive Defragment এবং disk cleanup করুন।(1. click start – all programs – accessori – system utility – Defragment drive utility 2. click start – all programs – accessori – disk cleanup) কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬6▬Computer tips & tricks bangla পিসি সেফ মোডে চালু হলে কি করবেন? উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম স্বাভাবিকভাবে চালু হতে না পারলে অনেক সময় সেফ মোডে চালু হয়৷ সেফ মোড হলো উইন্ডোজের বিশেষ একটি অবস্থা যখন এটি একেবারে প্রয়োজনীয় ফাইল এবং ড্রাইভারসমূহ নিয়ে লোড হয়৷ বলা যেতে পারে ‘বিপদকালীন‘ অবস্থা যখন নূন্যতম রসদ দিয়ে প্রাণে বেচে থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ৷ সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু হলে প্রাথমিক ভাবে রিস্টার্ট করে দেখা যেতে পারে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে তা চালু হয় কিনা৷ বার বার করে ব্যর্থ হলে বুঝতে হবে সমস্যাটি গুরুতর৷ উইন্ডোজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ক্ষতি বা হার্ডওয়ারের সমস্যার কারণে তা হতে পারে৷ কোনো নতুন হার্ডওয়্যার সেটিংস পরিবর্তনের ফলে যদি উইন্ডোজ বার বার সেফ মোডে চলে যায় তবে পূর্ববর্তী সেটিংসটি রিভার্স করে ফেলাই শ্রেয়৷ সেফ মোডকে এজন্য ডায়াগনিস্টিক মোডও বলা হয়৷ উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় F8 চাপলে যে মেনু আসে সেখান থেকে সেফ মোড চালু করা যেতে পরে৷ তবে আগেই বলা হয়েছে; এটি ডায়াগনিস্টিক মোড৷ এই মোডে বাড়তি কোনো কিছুই যেমন- সাউন্ড, প্রিন্টার, হাই কালার ডিসপ্লে ইত্যাদি কিছুই কাজ করবে না৷. কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬7▬Computer tips & tricks bangla আপনার hard disk এ দুইটি partition করুন এবং সেকেন্ড পার্টিশনে Install করুন সব large Softwares (like PSP, Photoshop, 3DS Max etc). Windows এর জন্য আপনার C Drive যথাসম্ভব খালি রাখুন যাতে Windows RAM full হওয়ার পর আপনার C Drive কে virtual memory হিসেবে use করতে পারে। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬8▬Computer tips & tricks bangla আপনার পিসি পুরো বুট না হওয়া পযর্ন্ত কোন application open করবেননা। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬9▬Computer tips & tricks bangla যে কোন application close করার পর আপনার desktop F5 চেপে refresh করে নিন, যা আপনার পিসির RAM হতে unused files remove করবে। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬10▬Computer tips & tricks bangla .ডেস্কটপ wallpaper হিসেবে very large file size image ব্যবহার হতে বিরত থাকুন। ডেস্কটপে অতিরিক্ত shortcuts রাখবেননা। আপনি জানেন কি ডেস্কটপে ব্যবহৃত প্রতিটি shortcut up to 500 bytes of RAM ব্যবহার করে। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬11▬Computer tips & tricks bangla প্রতিদিন আপনার ডেস্কটপের recycle bin Empty করে রাখুন। (The files are not really deleted from your hard drive until you empty the recycle bin.) কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬12▬Computer tips & tricks bangla অনেক সময় PC’র র্যাম কম থাকলে PC slow হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কিছুতা গতি বাড়ানো যায়। এর জন্য- My Computer এ মাউস রেখে right button ক্লিক করে properties-e যান। এখন advance এ ক্লিক করে performance এর settings এ ক্লিক করুন। আবার advance -এ ক্লিক করুন। এখন change এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size এ আপনার PC’র র্যামের দ্বিগুণ এবং Maximum size এ র্যামের চারগুন দিলে ভাল হয়। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স 13▬Computer tips & tricks bangla এ ছাড়াও কম্পিউটার ভাল রাখার কিছু টিপ্স জেনে নিন প্রতি ১ বা ২ মাস পর পর কম্পিউটার খুলে সব parts মুছে নতুন করে লাগিয়ে দিন। Ram খুলে পাতলা তুলো দ্বারা মুছে নতুন করে লাগিয়ে নিন। কম্পিউটারের উপর কোন ভারী কিছু রাখবেন না। রাতে ঘুমাবার সময় কম্পিউটার shut down করে দিন। বিদু্ৎ চলে গেলে যেন কম্পিউটার বন্ধ না হয়ে যায় সে জন্য UPS ব্যবহার করা উচিৎ। কম্পিউটার VIRUS দূর করার জন্য অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা উচিৎ। কম্পিউটারকে আলো-বাতাসপূর্ণ জায়গায় রাখুন। প্রতিদিন মনিটর, বিশেষ করে LCD মনিটর একবার করে মুছে রাখবেন। অনেকে কম্পিউটার চলার সময়ও CPU-র উপর আলাদা পর্দা দিয়ে রাখেন, যাতে ময়লা প্রবেশ না করে। এতে আরও ক্ষতিই হয়। ওয়ালপেপার হিসেবে এমন ছবি সেট করুন, যা আপনার চোখকে আরাম দেয়। ওয়ালপেপার সাইজে যত ছোট হবে, আপনার কম্পিউটারের গতির জন্য ততই ভাল। নিয়মিত ‘কুলিং ফ্যান’ মুছে পরিষ্কার করে রাখুন। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬14▬Computer tips & tricks bangla কম্পিউটারের র্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬15 যে কোন Software uninstall করার সময় ……কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন। Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬16 প্রত্যেকবার কম্পিউটার অন করার সময় বিভিন্ন ড্রাইভ চেকিং অপশন আসে যেমনঃ- Checking Drive E: কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬17 Press any key to canceled এর সমাধান….. >স্টার্ট থেকে রানে লিখুন সিএমডি (cmd) এবার এন্টার চাপুন। >এরপর লিখুন সিএইচকেএনটিএফএস-স্পেস-ড্রাইভ লেটার (E:) স্পেস ব্যাকস্লাস(/)এক্স অর্থাতঃ (chkntfs E: /X) লিখে এন্টার দিন ব্যাস এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬18 তৈরি করুন একটি অদৃশ্য ফোল্ডার একটি New Folder তৈরি করুন, যখন New Folder লিখাটি নীল রং এ সিলেক্ট করা থাকবে তখন keyboard এর ডান পাশের Alt চেপে ধরে 0160 চাপুন, এবার Alt key থেকে আঙুল সরিয়ে নিন এবং Enter এ ক্লিক করুন। এবার দেখুন একটি নাম ছাড়া ফোল্ডার তৈরি হয়েছে । এখন এই নাম ছাড়া Folder এ mouse এর right buttome ক্লিক করে Properties এ যান, তারপর customize > change icon এ ক্লিক করুন, তারপর icon window থেকে একটি blank icon সিলেক্ট করুন এবং ok তে ক্লিক করুন। এবার দেখুন আপনি একটি অদৃশ্য Folder তৈরি করেছেন। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬19 অনেক সময় START MENU SHOW করতে দেরি হয় বা LOCAL DISK এর যে কোন পেজ ওপেন করতে দেরি হয় যা খুব বিরক্তিকর। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিচের পথ অনুসরন করুন। প্রথমে START MENU থেকে RUN এ ক্লিক করুন। তাতে REGEDIT.EXE লিখে OK করুন। REGISTRY EDITOR BOX আসবে, সেখান থেকে HKEY_CURRENT_USER ট্যাবে ক্লিক করুন তারপর সেখান থেকে CONTROL PANEL হয়ে DESKTOP ক্লিক করুন। DESKTOP এ ক্লিক করার পর ডান পাশের BINARY DATA হতে MENUSHOWDELAY তে ডাবল ক্লিক করুন। যে EDIT STRING BOX আসবে তা হতে VALUE DATA “0” করে OK করুন। তারপর কম্পিউটার RESTART করুন। দেখবেন আপনার কম্পিউটার আগের তুলোনায় দ্রুত গতি সম্পন্ন হয়েছে এবং LOCAL DISK পেজ OPEN হতে সময় কম নিচ্ছে। কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬20 কি বোর্ডের সাহায্যে চালু করুন কম্পিউটার আমরা সাধারণত CPU-এর পাওয়ার বাটন চেপে কম্পিউটার চালু করি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, পাওয়ার বাটনে কোনো সমস্যা থাকলে কম্পিউটার চালু করতে অনেক কষ্ট হয়। আমরা ইচ্ছা করলে CPU-এর পাওয়ার বাটন না চেপে কি-বোর্ডের সাহায্যে খুব সহজেই কম্পিউটার চালু করতে পারি। এর জন্য প্রথমে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় কি-বোর্ড থেকে Del বাটন চেপে Bios-এ প্রবেশ করুন। তারপর Power Management Setup নির্বাচন করে Enter চাপুন। এখন Power on my keyboard নির্বাচন করে Enter দিন। Password নির্বাচন করে Enter দিন। Enter Password-এ কোনো একটি কি পাসওয়ার্ড হিসেবে দিয়ে সেভ (F10) করে বেরিয়ে আসুন। এখন কি-বোর্ড থেকে সেই পাসওয়ার্ড কি চেপে কম্পিউটার চালু করতে পারেন। এই পদ্ধতিটি গিগাবাইট মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অন্যান্য মাদারবোর্ডেও এই পদ্ধতি
সোমবার, ২১ মার্চ, ২০১৬
সর্বকালের কঠিনতম ২৫টি ভিডিও গেম
আধুনিক বিশ্বে উন্মাদনার অপর এক নাম ভিডিও গেমস। বহু বছর ধরে ভিডিও গেম হয়েছে আরো বেশি জনপ্রিয়, উপভোগ্য এবং চ্যালেঞ্জিং। দক্ষ গেমাররা তাদের জীবনটাকে বিলিয়ে দিয়েছেন ভিডিও গেমের প্রতি। তারা কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং গেম খেলতেই বেশি পছন্দ করেন। এদের কথা মাথায় রেখে তাই নির্মাতারা প্রথম থেকেই কঠিন সব গেম বানিয়েছেন। এখানে চিনে নিন এমনই কয়েকটি ভিডিও গেমসের কথা যেগুলো খেলা দারুণ কঠিন। ১. Demon’s Souls/Dark Souls : ২০০৯-২০১১ সালে এই গেমটি দারুণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ফ্রমসফটের গেমটি বানানো সময়ই চিন্তা করা হয়, গেমাররা কিভাবে এটি খেলতে গিয়ে সত্যিকার কঠিন অবস্থার শিকার হতে পারেন। অতি সাধারণ শত্রু বধ করতে গেলেও গেমারের বাছাই করা চরিত্র মরে যেতো। এটা মারাত্মক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় এবং জেদি গেমাররা সেই চ্যালেঞ্জ সাদরে গ্রহণ করে নেন। ২. Ghosts ‘n Goblins : ১৯৮৫ সালের ক্যাপকমের এই সাইড স্ক্রলিং প্লাটফর্মের গেমটি সত্যিকারের অ্যাডভেঞ্চারের স্বাদ দেয়। একটি আঘাতেই নাইট আর্থারের হৃদযন্ত্রের অবস্থা খারাপ হয়ে যেত। দ্বিতীয় আঘাতেই তার মৃত্যু। অধিকাংশ গেমারই এর প্রথম স্টেড পার করতে পারেননি। ৩. Ninja Gaiden II : টেকমো কয়ির ২০০৮ সালের গেমটি ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল। ডিফিকাল্টি নরমাল দিয়েও গেমারদের ঘাম ঝরে যেতো। একবার মাস্টার নিনজা হতে পারলে কিছু সুবিধা মিলতো। কিন্তু দ্বিতীয় স্টেজে গিয়ে বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব ছিল। ৪. God Hand : ২০০৬ সালের ক্যাপকমের এই গেমটিও কঠিনগুলোর একটি। গেমারের দক্ষতা এখানে বড় বিষয়। লেভেল এক থেকে শেষ লেভেলটি ছিল ডায়। শত্রুদের আক্রমণ, ক্ষতির পরিমাণ ইত্যাদি হিসাব কষে খেলতে হতো। কঠিন হলেও একে পারফরমেন্সের সঙ্গে বিস্ময়কর সমন্বয় করা হয়। ৫. UFO: Enemy Unknown : ১৯৯৪ এর মিথোস গেমস- এর এক্সকম সিরিজ চালু হয়। মারাত্মক এক স্ট্র্যাটেজি গেম এটি। এলিয়েনদের আক্রমণে নিজের সৈন্যদের মৃত্যু আর মানবজাতিকে বাঁচানোর এই গেমটি দারুণ কঠিন। ৬. Fade to Black : ডেলফাইন সফটওয়্যার ১৯৯৫ সালে এই গেমটি বাজারে আনে। ফ্ল্যাশব্যাক সিক্যুয়ালের মাধ্যমে দ্বিমাত্রিক ডিজাইনটি ত্রিমাত্রিকে আনা হয়। এর ফেড টু ব্ল্যাক সংস্করণে শত্রুর একটি আঘাতেই মারা যেত নায়ক। ৭. NARC : ১৯৮৮ সালের উইলিয়ামস ইলেকট্রনিক্সের গেমটি যেমন উপভোগ্য, তেমনি কঠিন। আলট্রাভায়োলেন্সের মাধ্যমে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সত্যিকার কঠিন এক গেম নার্ক। পুরনো গেমটিতে নিষ্ঠুরতার নতুন এক চিত্র দেওয়া হয়। ৮. Smash T.V. : ১৯৯০ সালের একই নির্মাতার আরো একটি গেম এটি। একটি ক্লাসিক আর্কেড গেম। গেমাররা পরের স্টেজটি দেখতে মুখিয়ে থাকতেন। কিন্তু এত সহজ ছিল না। যতক্ষণ বেঁচে থাকা সম্ভব ছিল, তত বেশি পুরস্কার মিলতো। ৯. The Simpsons : ১৯৯১ সালে কোনামির দারুণ একটি গেম। আকর্ষণীয় প্রেজেন্টেশন এবং কৃত্রিম কাঠিন্য জুড়ে দেওয়া হয় গেমটিতে। দারুণ উপভোগ্য ক্লাসিক একটি গেম। কিন্তু খেলাটা খুবই কঠিন। ১০. Takeshi’s Challenge : তাইতো করপোরেশনের ১৯৮৬ সালের গেমটি অনন্য। গতানুগতির গেমিং দক্ষতা এতে কাজে লাগতো না। দারুণ কঠিক সব শর্ত আর বিড়ম্বনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেত হতো। ১১. Rogue : মাইকেল টয়/ গ্লেন উইচম্যানের ১৯৮০ সালের গেম এটি। গেমটির মূল বিষয় ছিল গেমারকে কতটা চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে ফেলা যায়। নতুন পরিবেশ এবং নতুন ঘরাণার যুদ্ধ সত্যিই খুব কঠিন ছিল। ১২. Dwarf Fortress : বে ১২ গেমস-এর ২০০৬ সালের গেমটির মূল মোটো ছিল, হেরে যাওয়াটাই মজা। অর্থাৎ, এখানে জেতার ইচ্ছা খুব সহজে পূরণ হতো না। ব্যর্থতা অবস্যম্ভাবী। ১৩. The Adventure of Little Ralph : নিউ করপোরেশনের ১৯৯৯ সালের গেমটি একটি রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার। কিন্তু দারুণ কঠিন। এটি প্লে স্টেশন এবং পিএসএন-এ খেলা যেতো। স্কোরের দিকে দারুণ খেয়াল রাখতে হতো। কিন্তু সহজে সফলতা ধরা দিতো না। ১৪. The Bizarre Adventures of Woodruff and the Schnibble : ককটেল ভিশনের এই ডার্ক অ্যাডভেঞ্চার গেমটি গেমারদের প্রায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকতো। গোটা গেমটি ছিল রহস্যে ভরা। পরবর্তিতে কি করতে হবে সে সম্পর্কে কেউ কোনো ধারণাই করতে পারতেন না। ১৫. Mushihimesama : কেভের গেমটি ২০০৪ সালে বের হয়। দ্বিমাত্রিক এই গেমটি ছিল সবচেয়ে কঠিন গেম। ইনসেক্ট-থিম গেমটি বড় বড় গেমারদের ঘাম ঝরিয়েছে। ১৬. In The Groove : ২০০৪ সালে গ্রুভের গেমটি দারুণ চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় গেমারদের প্রতি। আর্কেড মিউজিক গেমটি সে সময়ের কঠিনতম গেমের একটি। ১৭. Super Meat Boy : এর স্টেজটি নানা অজানা চ্যালেঞ্জে পরিপূর্ণ ছিল। কিন্তু তারপরও গেমারদের মন কাড়ত সক্ষম হয়। দারুণ গতি তুলতে বাধ্য করে গেমারদের। আর তাতেই বার বার ব্যর্থতা দেখতে হয়। ১৮. Trials Fusion : ২০১৪ সালের এই গেমটি মোটরসাইকেল গেম। সাধারণভাবেই শুরু হবে। কিন্তু শিগগিরই এর চ্যালেঞ্জ দুঃস্বপ্ন দেখাবে। খাড়া দেওয়ার পেরোতে কত কোণে লাফ দিতে হবে? এসব নানা হিসাবে বার বার ব্যর্থতা দেখতে হবে। ১৯. Battle Garegga : দ্বিমাত্রিক এই শুটার গেমটি মারাত্মকভাবে কঠিন ছিল। এর নিয়ম-কানুন দারুণভাবে জটিলতাপূর্ণ। র্যাঙ্ক বৃদ্ধিতে কিছু বোনাস ও শক্তি মেলে। কিন্তু এগিয়ে যাওয়া রীতিমতো অসম্ভব। ২০. Rick Dangerous : ইন্ডিয়ানা জোনসের মতোই এক প্লাটফর্ম। কিন্তু খেলা শুরু করতেই গেমারদের হেরে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়। এগিয়ে যাওয়ার পথও খুব কম। ২১. Shadow of the Beast II : এক দল গেমারের মধ্যে এই গেমের কথা বললে সবাই নস্টালজিয়ায় ভেসে যাবেন। কিন্তু কেউ খুব বেশি দূর গিয়েছেন কিনা তা জানতে চাইলে সবাই মাথা নাড়বেন। এই গেমে এগিয়ে যাওয়ার কৌশল এতটাই কঠিন যে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ২২. Time Crisis : ১৯৯৫ সালের গেমটির পেছনে গেমাররা যথেষ্ট কয়ের ঢেলেছেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেননি। সহজো গেম ওভার কথাটি স্ক্রিনে দেখতেন গেমাররা। ২৩. Wanna Be the Guy: The Movie: The Game : যারা গেমটি খেলেছেন তারা এর কথা কখনোই ভুলতে পারবেন না। কঠিন গেমের তালিকায় স্থান করে নেয় ২০০৭ সালের গেমটি। ২৪. Weaponlord : আর্কেড ফাইটারদের কাছে জনপ্রিয় এবং চ্যালেঞ্জিং গেম ছিল। এর অদ্ভুত সব কম্বো অ্যাটাক দেওয়া ছিল প্রায় অসম্ভব। ফলাফল গেমারদের একের পর এক ব্যর্থতা। ২৫. Flywrench : ২০১৫ সালের এই গেমটি কঠিনতমগুলোর মধ্যে একটি। এই গেমের সেটআপ অদ্ভুতরকম সরল। কিন্তু খেলাটা দারুণভাবে কঠিন। মেজের মধ্য দিয়ে একটি স্পেসশিপ নিয়ে যাওয়া সহজ মনে হলেও তা খেলে গেলে অসম্ভব বলেই বোঝা যাবে। এই গেমটি গত বছরের তো বটেই, বিগত ৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন গেম বলে ধরে নেওয়া যায়।
রবিবার, ২০ মার্চ, ২০১৬
শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৬
বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ, ২০১৬
গ্রামীন বন্ধ সিমে নিয়ে নিন আবারো 8GB, মাত্র 44টাকায়
আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সবাই আল্লাহ্র রহমতে ভাল আছেন।টীটীতে এটা আমার প্রথম টিউন।আশা করি যারা গ্রামীনফোন ব্যবহার করেন তারা উপকৃত হবেন।এখন মূল কথায় আসি, গ্রামীণফোন বন্ধ সিমের অফারের কথা সবাই জানে, অনেকে ব্যবহারও করেছেন।কিন্তু হঠাত গ্রামীনফোন কর্তৃপক্ষ অফারটি বন্ধ করে দেই।কিন্তু বেশীদিনের জন্য নয়, আজকে আবারো চালো করে দেই বন্ধ সিমের অফারটি।তাই যাদের বন্ধ সিম তারা এক্ষনি নিয়ে নিন ১১টাকায় 2GB, মোট চারবার, তাহলে আপনি মোট পাচ্ছেন 8GB মাত্র ৪৪টাকায়। আপনার সিমটি এই অফারের আওতাভুক্ত কিনা তা জানাতে মোবাইলের ম্যাসেস (অবশ্যই গ্রামীন সিম হতে হবে) অপশনে গিয়ে টাইপ করুন BHK স্পেস কাঙ্ক্ষিত নম্বর আর পাঠিয়ে দিন 9999 নম্বরে।যদি আপনার নম্বরটি অফারের আওতাভুক্ত হয় তাহলে এরকম মেসেস আসবে ""01700000000 is eligible for 2GB 3G internet at Tk 11 offer by dialing 11190# with 15 days validity & send SN to 9999"" ব্যাস আপনার কাজ শেষ।এখন আপনার ব্যাল্যান্সে ১১টাকা রেখে কোডটি দায়াল করুন।ব্যাস পেয়ে গেলেন মাত্র ১১টাকায় ২জিবি ইন্টারনেট। যার মেয়াদ থাকবে ১৫দিন। বিঃদ্রঃ- যারা মনে করেন যে,""মেয়াদ ১৫ দিন আছেই, তো ১৪দিন শেষেই বাকীটা নিলেই চলবে।তাদের বলব এই ভুল কইরেননা কারন যেকোন সময় অফারটি আবারো বন্ধ হয়ে যেতে পারেতাই আপনি ৪৪টাকা দিয়ে পুরু 8GB-ই কিনেন মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব আমার। যদি চান মেয়াদ কিভাবে বাড়ানো যায় সে বিষয়েও লিখব। ধন্যবাদ সবাইকে
বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ, ২০১৬
এক নজরে দেখে নিন ফেসবুকের কী-বোর্ড শর্টকাট
রথমেই বলে নিচ্ছি আমার লেখার হাত ততটা পাকা নয়, তাই সমস্ত ভুল-ভ্রান্তি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য পা্ঠকদেরকে অনুরোধ করছি।আপনারা সকলেই জানেন আমাদের সবার প্রিয় ফেসবুক নিয়মিত নিত্যনতুন ভাবে আপডেট হচ্ছে। তেমনই ফেসবুক বিষয়ে নতুন একটি টিউন নিয়ে আজ আপনাদের সামনে হাজির হলাম।আজ সকালে যখন আমার ফেসবুক আইডিটা চেক করছিলাম তখন একটি ম্যাসেজ বার আমার চোখের সামনে উদয় হয়। বিষয়টা ফেসবুকের কী-বোর্ড শর্টকাট নিয়ে ছিল। আর একটা কথা বলতে ভুলে গেছিলাম এটি শুধু পিসি ইউজারদের জন্য প্রযোজ্য। হয়তো এ বিষয়ে অনেকেই জেনে থাকবেন কিন্তু আমি আজ প্রথম জানলাম তাই ভাবলাম বিষয়টা আপনাদেরকেও শেয়ার করা উচিৎ। সেইজন্যে আর দেরি না করে আমার এই টিউন করতে বসা। আর বকবক না করে তাহলে চলুন দেখে নিই ফেসবুকের কী-বোর্ড শর্টকাট।আপনি নিম্নলিখিত বাটনগুলো চেপে কাজ সম্পাদন করতে পারবেন।j,k— নিউজফিডে স্ক্রল করার জন্য।p— কোন নতুন স্ট্যাটাস টিউন করার জন্য।l— কোন সিলেক্টেড টিউনে লাইক বা আনলাইক করার জন্য।c— কোন সিলেক্টেড টিউনে টিউমেন্ট করার জন্য।s— কোন সিলেক্টেড টিউনটি শেয়ার করার জন্য।o— কোন সিলেক্টেড টিউনের ফাইল দেখার জন্য।enter— সিলেক্টেড টিউনটি সম্পূর্ণ দেখার জন্য।/— সার্চ করার জন্য।q— চ্যাট কন্টাক্ট সার্চ করার জন্য।?— হেল্প ডায়লগ বক্স দেখার জন্য।Shift + Alt + 0— সরাসরি হেল্প পেইজে যাওয়ার জন্য।Shift + Alt + 1— হোমে যাওয়ার জন্য।Shift + Alt + 2— টাইমলাইনে যাওয়ার জন্য।Shift + Alt + 3— ফ্রেন্ডলিস্ট দেখার জন্য।Shift + Alt + 4— ইনবক্স পেইজে যাওয়ার জন্য।Shift + Alt + 5— নোটিফিকেশন দেখার জন্য।Shift + Alt + 6— সেটিং-এ যাওয়ার জন্য।Shift + Alt + 7— এক্টিভিটি লগ দেখার জন্য।Shift + Alt + 8— অ্যাবাউট দেখার জন্য।Shift + Alt + 9— ফেসবুকের শর্তসমূহ দেখার জন্য।Shift + Alt + m— নতুন ম্যাসেজ দেখার জন্য।টিউনটি কারও উপকারে আসলে অনেক খুশি হবো
Clash Royale কি ?
Supercell এর নতুন গেম Clash Royale এর ছোট্ট বিবরনঃAvailable for Device:বিবরণঃবর্তমানে Clash Royale শুধু মাত্র অ্যাপেল এর অ্যাপ স্টোরে পাওয়াযাচ্ছে। অ্যাপেল অ্যাপ স্টোরে Globally রিলিজ করা হয় নি। শুধুমাত্র Canada, Hong Kong, Australia, Sweden, Norway, Denmark, Iceland, Finland and New Zealand এর অ্যাপেল অ্যাপ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। আপনাকে ডাউনলোড করতে হলে Canada, Hong Kong, Australia, Sweden, Norway, Denmark, Iceland, Finland and New Zealand এর রিজিয়ন দিয়ে অ্যাপেল আইডিখুলতে হবে। সেই আইডি সাইন ইন করলে তাহলে আপনি আপনার অ্যাপেল অ্যাপ স্টোরে তাডাউনলোড করতে পারবেন। আর আপনি যদি নতুন আইডি বা কান্ট্রি চ্যাঞ্জ করতে না পারেন তাহলে এই পোস্টটি দেখুন। http://bit.ly/1n6dIBeগেমটির যেহেতু ফাইনাল ভার্সন না তাই Globally পাবলিশ করা হয় নি। Android এর জন্য আসবে সিওর তবে ফাইনাল ভার্সন বের হওয়ার পর। Clash Royale এর ডেভ ভার্সনও না এইটা। এইটা প্লেয়ার এক্সপিরিয়েন্স ভার্সন। তবে চিন্তা করবেন না আপনি খেলা শুরু করলে আপনার গেম এর প্রসেস বাদ দেওয়া হবে না ফাইনাল ভার্সন আসলে গেম সম্পর্কে Clash Royale একটি Real Time battle গেম। Real Time battle বলতে আপনার অপুনেন্টও আপনার মাল্টি প্লেয়ার গেম খেলার সময় এটাক করতে পারবে এর জন্য আপনাকে Clash of Clans এর মত এক প্লেয়ারকে অফলাইনে থাকতে হবে না। Clash Royale সম্পূর্ন আলাদা গেম অনেকে ভাবতে পারেন Clash of Clans 2 এটী কিন্তু তা নয়। Supercell শুধুমাত্র Clash of Clans এর সকল ট্রপস ব্যবহার করেছে গেম এ। ব্যবহারের কারণ Clash of Clans এর ট্রপস এর সাথে আপনাদের সকলের পরিচিত।তাই ট্রপস এর ব্যবহার আপনাকে নতুন করে পরিচয় করে দেয়ানোর দরকার নেই। গেম প্লেঃট্রপস সম্পর্কে আগেই বললাম একেবারে Clash of Clans এর এর মত। আপনি যদি প্রথমে গেমটি ওপেন করেন থাকলে আপনাকে প্রথমেই নিয়ে যাবে ট্রেইনার মোড এ আপনাকে আপনাকে প্রথমে গেম এরট্রেইনার মোড এর Crown Chest পুরন করার মাধ্যমে আপনি যেতে পারবেন এর পরের লেভেল এ। ট্রপস এর লেভেল আপ করতে আপনাকে বিভিন্ন CrownChest এর লেভেলের মধ্যে লেভেল আপ করতে বলা হবে। তখন আপনি কয়েন এর মাধ্যমে আপ করতে পারবেন ট্রপস এর লেভেল। Clash of Clans এর মত আপনি পুরো ভিলেজ ভেঙ্গে স্টার আনতে পারবেন তবে এক্ষেত্রে আপনার অপুনেন্ট ভিলেজ এ তাদের ডিফেনও কাজ করবে আবার তারা আপনার ট্রপস ও ভিলেজ ভাঙ্গার জন্য ট্রপসও ছাড়তে পারবে। আপনি যদি অপুনেন্ট ভিলেজ এর টাউনহল ভাঙ্গতে পারেন তাহলেআপনি পুরো ৩ স্টার (Clash Royale এ Crown) পাবেন। আবার যদি আপনার অপুনেন্ট ভিলেজ যদি আপনার একটা ডিফেন ভাঙ্গে তাহলে একটা স্টার পাবে। আপনি ৩ স্টার পেলেও অপুনেন্ট ভিলেজ এর ১ স্টার বাতিল হবে না। প্রতি এটাকের পর নুন্যতম ১ স্টার এর জন্য আপনি Crown Chest পাবেন তাতেথাকবে আপনার স্টার এর জন্য গোল্ড কয়েন,জেমস কিংবা এক্সপি। বুঝানোর সুবিধার্থেস্টার ও ভিলেজ ব্যবহার করা হয়েছে।Crown Chest:Crown Chest হল আপনার Clash of Clans এর মত এচিভমেন্ট তবে এতে আপনাকে ৪ বা ২ টা কার্ড থাকবে একটা Crown Chest (সন্ধুক) এর ভিতর এটা ওপেন করতে আপনাকে কয়েন ব্যবহার করা লাগবে।আপনি Crown Chest থেকে গোল্ড সহ বিভিন্ন ট্রপস এর আপ এর অনুমতি পাবেন। Crown Chest ওপেন হতে ১৫ সেকেন্ড থেকে Crown Chest অনুসারে সময় লাগবে। Crown Chest আপনি একধিক কার্ডে পাবেন ট্রপস আনলক সহ জেমস,গোল্ড কয়েন।Arena (Clash of Clans এর মত টাউনহল আপ) :Clash of Clans এ আপনি টাউনহল আপ দিতে পাবেন কিন্তু Clash Royale এ আপনি তা পারবেন না আপনাকে Arena 3 যাওয়া আগে পর্যন্ত খেলে Training Camp, Arena ১.২ শেষ করতে হবে । Arena 3 থেকে পাবেন ক্ল্যান চ্যাটের সুবিধা। Arena 2 থেকে পাবনে Multiplayer Online Match Making এর সুবিধা।ট্রপস আর্মঃআপনার পছন্দমত ট্রপস নিয়ে যাবার জন্য আপনাকে ট্রপস কার্ড রিপ্লেস করতে হবে। আপনাকে ট্রপস ট্র্যান করে ব্যাটেলে যাওয়া লাগবে না। আপনার যে গুলো ট্রপস কার্ড আছে যে সব গুলো ট্রপস নিয়েই আপনি যেতে পারবেন আর ট্রপস ট্র্যান করার জন্য Real Time Battle এ অটো Elixer উৎপন্ন হয়। Crown Chest এর মধ্য আপনি Elixer উৎপাদন 2x করার সুবিধা পাবেন। আপনাকে প্রথম ১০টা Elixer দেওয়া হবে পরে ১০ Elixer ইউস করার পর ৩ সেকেন্ডের মধ্যে আবার Elixer উৎপন্ন হবে। এভাবে আপনাকে ৩ মিঃ দেওয়া হবে Battel এর জন্য।Clan:আপনি Arena 3 থেকে পাবেন ক্ল্যান চ্যাট ও ক্ল্যান খুলার সুবিধা।Trophy:প্রতি এটাকের জন্য আপনি পাবেন trophy ঠিক Clash of Clans এর মত তবে আপনি যদি পুরো 3 Crown আনতে পারেন তাহলে আপনাকে দেওয়া হবে ৩২ টা trophy. Trophy সম্পর্কে আরোও তথ্য পরে জানানো হবে।Gems:Clash of Clans এর মত gems আছে Clash Royale এও। আপনি Gems দিয়ে Finish Now দিতে পারবেন Crown Chest এ ওপেন এর জন্য। কিনতে পারবেন গোল্ড কয়েন।Spell:Clash of Clans এর মত Clash Royale ও আছে স্পেল তবে স্পেল এর ব্যবহার এখন পর্যন্ত পাওয়া যায় নি ।XP:Clash of Clans এর মত থাকছে। আপনি যত Crown Chest আনতে পারবেন Crown এনে আপনি তত বেশি Crown Chest পাবেন আরওপেন করলে পাবেন তা থেকে এক্সপি।গেমের আরও কিছু বিস্তারিত তথ্য পরে আপনাদের
flexi-plane নেই তো কি হয়েছে- দুটো নতুন পদ্ধতিতে মাত্র ১.১৮ টাকাতে বাড়িয়ে নিন আপনার GP সিমের MB এর মেয়াদ ১ মাস। না দেখলে আপনার লস…।
আচ্ছালামুআলাইকুম আশা করি সবাই ভালো আছেন।
।।সম্প্রতি flexi-plane এর কিছু পরিবর্তনের জন্য অনেকেই GP সিমে MB এর মেয়াদ বাড়াতে পারতেছেন না।
অনেকেই এর জন্য আমাকে FB এ মেসেজ করেছেতাই তাদের জন্যই আমার আজকের এই টিউন লিখা
।প্রথমে বলে রাখি আপনার যে MB গুলো ৫৬৬১০# ডায়াল করলে দেখা যাবে শুধুমাত্র সেই MB গুলোর মেয়াদ এক মাস বাড়িয়ে নেওয়া যাবে।
আমি Flexi-plane চালু হবার আগে থেকেই ১ম পদ্ধতিটা ব্যবহার করে MB এর মেয়াদ ১মাস করে বাড়িয়ে নেই।
★১ম পদ্ধতিঃপ্রথমে আপনার সিমের ইন্টারনেট বন্ধ করতে ডায়াল করুন*5000*0*4*3#তার পরে এই মেসেজ আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন↓সিমের নেট বন্ধ হলে ডায়াল করুন*500*1#এখন এই মেসেজ আসবে ↓এর পরে ডায়াল করুন*5000*8*1*1*2#এখন এই মেসেজ আসবে ↓কাজ শেষ এখন MB চেক করতে ডায়াল করুন*566*10#দেখুন ১মাস মেয়াদ বেড়ে গেছে।
★★২য় পদ্ধতিঃপ্রথমে আপনার সিমের ইন্টারনেট বন্ধ করতে ডায়াল করুন*5000*0*4*3#তার পরে এই মেসেজ আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন ↓সিমের নেট বন্ধ হলে ডায়াল করুন*5000*55#এখন এই মেসেজ আসবে ↓এর পরে ডায়াল করুন*5000*8*1*1*2#এখন এই মেসেজ আসবে ↓কাজ শেষ এখন MB চেক করতে ডায়াল করুন*566*10#দেখুন ১মাস মেয়াদ বেড়ে গেছে।
★★★আরেকটি কথা বলে রাখি MB এর মেয়াদ বাড়ানোর পরে অনেক সময় নেট স্পিড কমে যায়। যদি আপনার নেট স্পিড কমে গিয়ে থাকে তবে*5000*55#ডায়াল করে GP easy-net চালু করবেন। তাহলে আবার সুপার ডুপার 3G স্পিডে নেট চলতে শুরু করবে।★★★আরেকটা ছোট্ট জরুরি একটা টিপস দেই- অনেক সময় সিমে MB থাকার পরেও ইন্টারনেট অন হয়না,এতে অনেকেই নতুন করে MB কিনে নেট চালু করেন তারাও*5000*55#ডায়াল করবেন তাহলেই বিনামুল্যে ইন্টারনেট চালু হবে।★★★★আগে পদ্ধতি গুলোতে MB বাড়ানোর চেষ্টা না করে কোন টিউমেন্ট করবেন না
post via- (রিমন)